Friday, May 14, 2010

দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী

হ্যাকিং বর্তমানে সারা পৃথিবী জুড়েই একটা পরিচিত শব্দ। বেশির ভাগ সময়ই দেখা যায় যে, হ্যাকাররা সুরক্ষিত সব কম্পিউটার নেটওয়ার্ক আর কম্পিউটার সিস্টেম হ্যাক করে কোন আর্থিক লাভের জন্য নয়, স্রেফ “দেখিয়ে দিলাম, আমরাও পারি” এই ধরনের উপলব্ধি থেকে।এরা সাধারণত খুব অহংকারী, দুর্বিনীত, এবং মেধাবী হয়। তো…. আসুন সে রকম কয়েকজন হ্যাকারের সাথে আজ আমরা পরিচিত হই…….

জন ড্রেপার

Jhon Draper
হ্যাকার নামটা সর্বপ্রথম প্রদান করা হয়েছিল এরকম হাতেগোনা মানুষের মধ্যে জন ড্রেপার অন্যতম। তাকে বলা হয় হ্যাকিংএর আদি পিতা। ১৯৭০ দশকে আমেরিকাতে ক্যাপ’ন ফ্রেঞ্চ নামে একটা খাবার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছিল। একবার ক্যাপ’ন ফ্রেঞ্চের নির্মাতারা তাদের পন্যের প্রচার কৌশল হিসেবে এর প্যাকেটের ভিতরে একটি খেলনা হুইসেল দেয়া শুরু করে। আর ড্রেপার এই হুইসেল দিয়েই তার কার্য সিদ্ধি করে। ড্রেপার খেয়াল করেছিল যে, একটি সক্রিয় টেলিফোন কল শেষ হলে টেলিফোন এক্সেঞ্জ থেকে যে স্বয়ংক্রিয় শব্দটি প্রদান করা হয় তার সাথে এই হুইসেলের হুবহু মিল আছে। সে কল করার পর নির্দিষ্ট একটি সময়ে ওই হুইসাল দিয়ে শব্দ করতো যা থেকে এক্সেঞ্জ মনে করতো কলটি বোধয় শেষ হয়েছে। কিন্তু যেহেতু কলটি ছিল ড্রেপারের বানানো তাই বাস্তবে কলটি শেষ হত না। তাই হুইসেল বাঁজাবার পরে ড্রেপার ইচ্ছে মত কথা বলতে পারতো এবং এর জন্য তাকে বাড়তি কোন বিল দিতে হত না। কিন্তু বিধি বাম….. বছর দুই এভাবে চলার পর অবশেষে ধরা পড়ে ড্রেপার আর, সাজা হিসেবে তাকে দুই মাস জেলে কাটাতে হয়।

কেভিন মিটনিক

kevin mitnick দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes
হ্যাকিং এর জগতে অন্যতম বিখ্যাত হ্যাকার হচ্ছে কেভিন মিটনিক। ১৯৮১ সালে মাত্র ১৭ বছর বয়সে হ্যাকিং এর ভূবনে পদার্পন করে মিটনিক। প্রথমে টুকটাক হ্যাকিং করলেও সিরিয়াসলি হ্যাকিং শুরু করে ১৯৮৩ সালের দিকে। সে সময়ে ইউনিভার্সিটি অব সাউথ ক্যালোলিনার ছাত্র ছিল সে। একদিন ইন্টারনেটে পূর্বসুরি আরপানেটে অ্যাকসেস পেয়ে যায় মিটনিক আর আরপানেট যেহেতু মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের একটি নেটওয়ার্ক ছিল সেহেতু মন্ত্রনালয়ের সকল স্পর্শকাতর সকল ফাইল দেখার সুযোগ পেয়ে যায় কেভিন মিটনিক। তবে সে কখনো এই ফাইল গুলোর অপব্যাবহার করে নি। পেন্টাগনের গোপন ফাইলে ঘুরে বেড়ানো ছিল তার শখের মতোই। কিন্তু এভাবে আর বেশিদিন চলে নি, আরপানেট-এর সিস্টেম এ্যাডমিন-রা টের পেয়ে যায় মিটনিকের অস্তিত্ব। অবৈধ ভাবে কম্পিউটার সিস্টেমে প্রবেশ করার অপরাধে গ্রেফতার করা হয় তাকে এবং পাঠানো হয় সংশোধন কেন্দ্রে। কিন্তু মিটনিক পুরোপুরি সংশোধিত হয় নি। হ্যাকিং তার কাছে ছিল নেশার মত, আর এ কারণেই পরবর্তিতে তাকে বেশ কয়েকবার লাল দালানের ভাত খেতে হয়েছে।

রবার্ট মরিস

morris2004 দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes
হয়তো দুনিয়া জোড়া বিখ্যাত হবার চিন্তা করেই হ্যাকিং শুরু করেছিল মরিস। ১৯৮৮ সালে কর্নেল ইউনিভার্সিটির ছাত্র থাকা অবস্থায় ৯৯ লাইনের একটা কোড লিখে ছেড়ে দিয়েছিল বিভিন্ন নেটওয়ার্কে। যা খুব দ্রুত শত শত কম্পিউটারকে আক্রমন করে। পরবর্তিতে এই কোড মরিস ওয়ার্ম নামে পরিচিতি লাভ করে। ধরা পরার পর মরিস আত্মপক্ষ সমর্থন করে বলে, সে কোন খারাপ কাজ করে নি। কোড ছাড়ার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইন্টারনেটের সাথে কতগুলো কম্পিউটার সংযুক্ত আছে তা বের করা। শত শত কম্পিউটারকে আক্রমন করার অপরাধে ১৯৮৯ সালে গ্রেফতার হয় মরিস। পরে অবশ্য ১০ হাজার ডলার জরিমানা দিয়ে মুক্ত হয় সে।

কেভিন পোলসেন

kevin poulsen দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes
১৯৮৯ সালে কেভিন পোলসেন মানের ২৪ বছর বয়সী এক যুবককে ফ্রেফতার করে এফবিআই। কম্পিউটার ও টেলিফোন সার্ভারে গোপনে প্রবেশের দায়ে গ্রেফতার করা হয় তাকে। কিন্তু গ্রেফতার করে বেশীদিন আটকে রাখা যায়নি তাকে। বিচার শুরুর আগেই কৌশলে জেল থেকে পালিয়ে যায় সে। এর মধ্যে সে একটি ঘটনা ঘটায় লস এঞ্জেলেসে। সেখানকার একটি রেডিও স্টেশন একবার ঘোষণা দেয়, একটি নির্দিষ্ট দিনে তাদের কাছে যত কল আসবে তার মধে ১০৩ নম্বর কলারকে দেয়া হবে একটি দামী পোর্শে গাড়ি। পোলসনও তার কাজের ধারা অনুযায়ী রেডিও স্টেশনের টেলিফোন সুইস বোর্ড লাইন হ্যাক করে বনে যান ১০৩ নম্বর কলার। তারপর দাবি করে পোর্শে গাড়িটি। কিন্তু এত কিছু করেও শেষ রক্ষা হয় নি। দ্রুতই সব ফাঁস হয়ে যায়। অবশেষে পালিয়ে যাবার ১৭ মাসের মাথায় পুনরায় গ্রেফতার হয় পোলসন।

ভ্লাদিমির লেভিন

Vladimir Levin
কুখ্যাত হ্যাকার ভ্লাদিমির লেভিনের মূল টার্গেট ছিল বিখ্যাত সিটি ব্যাংক। কয়েকটি কর্পোরেট ইউজারের পাসওয়ার্ড হ্যাক করে তাদের একাউন্ট থেকে সে সরিয়ে ফেলে ১০.৭ মিলিয়ন ডলার। এসব টাকা সরিয়ে ফেলে সেগুলো পাঠিয়ে দেয় যুক্তরাষ্ট্র, ফিনল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, ইসরায়েল ও জার্মানির কয়েকটি ব্যাংক একাউন্টে। এ কাজ অবশ্য লেভিন একা করে নি, তার সহযোগী ছিলো আরো চার-পাঁচজন। তার সঙ্গী সাথীদের কয়েকজন বিভিন্ন দেশের ওই গোপন একাউন্টগুলো থেকে টাকা তুলতে গিয়ে ধরা পড়ে। লেভিন নিজেও ধরা পড়ে ১৯৯৫ সালে। বিচারে তার ৩ বচরের জেল ও ২.৫ লাখ ডলার জরিমানা করা হয়। আর খোয়া যাওয়া ডলারে ৪ লাখ বাদে বাকি সব অর্থই উদ্ধার করা সম্ভব হয়।

ডেভিড স্মিথ

david smith দুনিয়া কাঁপানো সব সাইবার অপরাধী | Techtunes
ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া সর্বপ্রথম ভাইরাসটির শ্রষ্টা হতে চেয়েছিল স্মিথ। ১৯৯৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সি অঙ্গরাজ্যে বসে চুরি করা একটি এওএল (আমেরিকা অনলাইন) একাউন্ট থেকে একটি ওয়ার্ম ছেড়ে দেয় ইন্টারনেটে। ওয়ার্মটির নাম ছিল মেসিলা। যা পরবর্তিতে ইন্টারনেটে ঢুকে ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে এবং প্রায় ৩০০টি বড় বড় কর্পোরেট প্রতষ্ঠানের নেটওয়ার্কে হামলা চালায়। এর মধ্যে মাইক্রোসফট, ইন্টেল, লুসেন্ট টেকনোলজির মত কোম্পানিও ছিল। গোটা আক্রমনট প্রায় ৮০ মিলিয়ন ডলারের সমপরিমান ক্ষতি সাধন করে। তবে কাজটি করে বেশিদিন শান্তিতে থাকতে পারেনি স্মিথ। বিচারে তার লম্বা মেয়াদের কারাবাস হলেও পরে তা কমিয়ে নিয়ে আসা হয় মাত্র ২০ মাসে।

হ্যাকিং করার পর হ্যাকাররা যেভাবে পাকড়াও হয়।

হ্যাকিং করাকে অনেকে সহজ মনে করে।তারা নিজেদেরকে অনেক চালাক ভাবে
হ্যাকারদেরকে অতি চালাক ভাবা হলেও তারাও কিন্তু অনেক সময় ফাঁদে পড়ে যায়। বিশেষ করে নবীন হ্যাকারদের ক্ষেত্রে এমনটি ঘটে থাকে। আমরা যখন ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করি তখন প্রত্যেকটি সংযোগের পেছনেই কাজ করে একটি করে নির্দিষ্ট আইপি অ্যাড্রেস। অর্থ্যাৎ যখনই আপনি ইন্টারনেটে সংযুক্ত হচ্ছেন তখন এই আইপি এড্রেসের মাধ্যমে একটি বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতাভুক্ত আপনি। তাই ওই নেটওয়ার্কের পথ ধরে আপনাকে খুঁজে পাওয়া সম্ভব।
হ্যাকারদের প্রধান হাতিয়ারই হলো ইন্টারনেট। তাই তারাও এই বিশেষ নেটওয়ার্কের আওতার বাইরে নয়। ইন্টারনেট সংযোগের ক্ষেত্রে যে আইপি অ্যাড্রেসগুলো ব্যবহার করা হয়ে থাকে তা হয় ইউনিক। অর্থ্যাৎ একই আইপি অ্যাড্রেস একাধিক থাকে না। একে বলা হয় স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস। এটাকে তুলনা করা যেতে পারে একটি আইএসডি টেলিফোন/মোবাইল নাম্বারের সাথে। সাধারণত ইন্টারনেটে সংযুক্ত থাকা যে কোন কম্পিউটার থেকেই এই স্ট্যাটিক আইপিকে খুঁজে পাওয়া যায়। ইন্টারনিক নামক একটি প্রতিষ্ঠান এই আইপি অ্যাড্রেস বন্টন করে থাকে। বিশ্বের প্রত্যেকটি দেশের জন্যই রয়েছে আলাদা আলাদা আইপি অ্যাড্রেসের বান্ডিল। তাই আইপি অ্যাড্রেসের রেঞ্জ দেখলেই বলে দেওয়া সম্ভব এটি কোন দেশের আইপি। যাহোক ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ কেনার সময় প্রত্যেকটি আইএসপি একাধিক আইপি এড্রেস পেয়ে থাকে। আর আইএসপিগুলো তাদের গ্রাহকদের মধ্যে তা বন্টন করে থাকে। অনেক আইএসপি আবার আইপি স্বল্পতার কারণে গ্রাহকদের প্রাইভেট আইপিও (যেটা ইউনিক নয়) দিয়েও থাকে। প্রাইভেট আইপি ইউনিক নয়, একই আইপি একাধিকজন ব্যবহার করতে পারেন। কিন’ ইন্টারনেটের মাধ্যমে বাইরে থেকে এই আইপিকে খুঁজে পাওয়া যায় না। তবে যে আইপি অ্যাড্রেসই হোক না কেন ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়ার জন্য যে কোন একটি স্ট্যাটিক আইপি অ্যাড্রেস এর মাধ্যমেই যেতে হয়।
যখন একজন হ্যাকার কোন একটি সার্ভারে প্রবেশ করে তখন তারা উক্ত সার্ভারে কোন আইপি থেকে কোন সময় প্রবেশ করলো তার সব তথ্যই সেখানে থাকে। একে বলা ‘এক্সেস লগ’। এবং সেই তথ্য অনুযায়ী খুঁজে বের করা হয় হ্যাকারকে।
তবে চালাক হ্যাকারদের ক্ষেত্রে এই টেকনিক খুব বেশি ফলপ্রসু হয় না। কারণ ঐসব হ্যাকাররা তাদের কাজ শেষে সার্ভার থেকে বের হওয়ার সময় উক্ত ‘এক্সেস লগ’ মুছে দেয়। ফলে কোন তথ্যই অবশিষ্ট থাকে না। আবার চালাক সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেটররাও তাদের এই এক্সেস লগ এবং সার্ভিস পোর্টগুলোকে এমনভাবে সাজিয়ে নেয় যেখানে চালাক হ্যাকারদের চালাকিও কাজ করে না।
কাজেই হ্যাকিং রোধে সার্ভারের নিয়ন্ত্রণ কর্তাদেরও হতে হয় হ্যাকারদের মতোই অভিজ্ঞ।
আসুন সহজ পদ্ধতিতে একটি আইপি এড্রেস এর অবস্থান কীভাবে খুঁজে বের করা যায় তা দেখি-
পরীক্ষামূলকভাবে যে কোন একটি স্ট্যাটিক আইপি এড্রেস নির্বাচন করুন। এবার www.whatismyipaddress.com সাইটটিতে যান ip lookup লিঙ্কে ক্লিক করুন। এবার নির্বাচিত আইপি এড্রেসটি বসিয়ে lookup ip address এ ক্লিক করুন। অল্প সময়ের মধ্যেই হাতে পেয়ে যাবেন উক্ত আইপি এড্রেসের অবস্থান এমনকি এর ব্যবহারকারির ঠিকানাও।
হয়তো কেউ নিজেকে চালাক মনে করে ভাবতে পারে মোবাইল ফোনের ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করলে হয়তো তা সনাক্ত করা সম্ভব হবে না। এটাও একটি ভ্রান্ত ধারণা। অনেক সময় ভাবতে পারেন কোন ভুয়া ঠিকানায় সীম কার্ড রেজিস্ট্রেশন করে সেই সীমের মাধ্যমে হ্যাকিং করবেন। এখানেও ধরা পড়ে যাবে সব চালাকি! মোবাইলের নাম্বার ট্রেসআউট করে খুঁজে বের করা হবে অপরাধীকে। ভাবছেন ঐ সীমটিই ফেলে দিবেন? আশা করি অন্তত মোবাইল সেটটি তো আর ফেলবেন না! এরপর যে প্রতিষ্ঠানের সিম কার্ডই ব্যবহার করা হোক না কেন ঐ সেটটি চালু করলেই অপরাধী ধরা পড়ে যেতে পারে। কারণ প্রত্যেকটি মোবাইল সেটেই থাকে একটি বিশেষ প্রোডাক্ট নাম্বার যাকে বলা হয় IMEI নাম্বার। সাধারণত একটি সেটের IMEI নাম্বারের সাথে আরেকটির নাম্বার মিলে না। তদন-কারীরা অপরাধী সনাক্ত করার জন্য এই আইএমই নাম্বারটি দিয়ে দিতে পারে সবগুলো টেলিফোন প্রোভাইডার প্রতিষ্ঠানে। আর যখনই উক্ত আইএমই যুক্ত সেটটি চালু তৎক্ষণাত তাকে খুঁজে বের করা সম্ভব হবে কাহার দ্বারা হ্যাকিং করা হইয়াছিল।অতএব হ্যাকিং করার সময় বুঝিয়া শুনিয়া হ্যাকিং করিয়েন।আশা করি টিউনটি ভালো লেগেছে।ধন্যবাদ সবাইকে।ভালো থাকবেন।

হ্যাক যেভাবে করতে হয় এবং হ্যাকিং থেকে বাচার উপায়(PDF টিউটোরিয়াল)

হ্যাকিং নিয়ে সবারই খুব আগ্রহ। এমনকি টেকটিউন্সে সব চেয়ে বেশি সার্চ করা হয় হ্যাকিং নিয়ে। আর আমার আজকের টিউন হ্যাকিং কিভাবে শিখতে হয় বা কিভাবে হ্যাকিং করতে হয় এবং হ্যাকিং থেকে বাচার উপায়। আমি যে PDF ফাইল গুলা দিচ্ছি তা সব ইংরেজিতে। আর এসব টিউটোরিয়াল বুঝতে হলে অবশ্যই ইংরেজি ভাল জানতে হবে। সাথে ছবি সহ বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তাই ভাল মতো চেষ্টা করলে আপনারা খুব সহজেই শিখতে পারবেন। এবার বেছে নিন আপনার পছন্দের বই।

Hack School For Beginners

Hack School For Beginners হ্যাক যেভাবে করতে হয় এবং হ্যাকিং থেকে বাচার উপায়(PDF টিউটোরিয়াল)  | Techtunes

এটাতে যা পাবেনঃ

  • Lesson 1: Being A hacker
  • Lesson 2: Basic Commands in Linux And Windows
  • Lesson 3: Ports and Protocols
  • Lesson 4: Services And Connections
  • Lesson 5: system Identifications
  • Lesson 6: Malware
  • Lesson 7: Attack Analysis
  • Lesson 8: Digital Forensics
  • Lesson 9: E-mail Security
  • Lesson 10: Web Security And Privacy
  • Lesson 11: Passwords
  • Lesson 12: Internet Legalities And Ethics

ডাউনলোড লিঙ্কঃ

Hack School For Beginners
password: www.dl4all.com

Hack Proofing Your Web Applications

263ao0j হ্যাক যেভাবে করতে হয় এবং হ্যাকিং থেকে বাচার উপায়(PDF টিউটোরিয়াল)  | Techtunes

এটাতে যা পাবেনঃ

  • Chapter 1 Hacking Methodology
  • Chapter 2 How to Avoid Becoming a ???Code Grinder???
  • Chapter 3 Understanding the Risks Associated with Mobile Code
  • Chapter 4 Vulnerable CGI scripts
  • Chapter 5 Hacking Techniques and Tools
  • Chapter 6 Code Auditing and Reverse Engineering
  • Chapter 7 Securing Your Java Code
  • Chapter 8 Securing XML
  • Chapter 9 Building Safe ActiveX Internet Controls
  • Chapter 10 Securing ColdFusion
  • Chapter 11 Developing Security-Enabled Applications
  • Chapter 12 Cradle to Grave: Working with a Security Plan

ডাউনলোড লিঙ্কঃ

Hack Proofing Your Web Applications

Learn how to hack the hackers underground handbook

2ebvleg হ্যাক যেভাবে করতে হয় এবং হ্যাকিং থেকে বাচার উপায়(PDF টিউটোরিয়াল)  | Techtunes
How will the skills uncovered in this handbook affect me?
- You will learn all the hackers underground tricks and learn to apply them in real world situations.
- You will be put into a hackers mindset and learn to think like one.
- By Learning how a hacker thinks and acts, you will be able to protect yourself from future hack attacks.
- You will aquire knowledge nonexistant to 99.9% of the people in the world!
- This Underground handbook may get you interested in pursuing a career as an Ethical Hacker.

ডাউনলোড লিঙ্কঃ

Learn how to hack the hackers underground handbook

Hack into your Friends Computer Made Easy

2vcxbq1 হ্যাক যেভাবে করতে হয় এবং হ্যাকিং থেকে বাচার উপায়(PDF টিউটোরিয়াল)  | Techtunes
Includes step by step tutorials, hacking tips,computer hacking software and tools. It was made specifically for the beginners who really want to get into. It is easy and it does not reset the password. Hack into a computer running … your entire computer and system files using backups that you have made previously

ডাউনলোড লিঙ্কঃ

Hack into your Friends Computer Made Easy

Hackers Secrets

zk28nm হ্যাক যেভাবে করতে হয় এবং হ্যাকিং থেকে বাচার উপায়(PDF টিউটোরিয়াল)  | Techtunes

ডাউনলোড লিঙ্কঃ

Hackers Secrets
আশা করি সবার কাজে আসবে।

বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking সফটওয়্যার।

সবাইকে স্বাগতম আমার আজকের টিউনিং পেজে। আশা করি আপনারা সবাই ভাল আছেন। আজ আমি আপনাদের কিছু Hacking এবং Cracking সফটওয়্যার দিব। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনি সইজেই কোন সফটওয়্যার Crack বা ব্যক্তিগত কারও প্রোফাইল Hack করতে পারবেন। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনি একদিকে অন্যের উপকার অথবা আপকার করতে পারেন। সে চিন্তা আপনার বিবেকের কাছে রইলো। এই পৃথিবীর প্রতিটি বিষয়ের ভাল মন্দ দিক রয়েছে। একজন ডাক্তার চাকু দিয়ে যেমন রোগীকে সুস্থ করেন আবার অন্যদিকে একজন আপরাধী সেই চাকু দিয়ে অসৎ ভাবে মানুষের অপকার করে। এখানে কেবল মাত্র ব্যক্তির অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। তবে এ কথা সত্য যে অপরাধের বিচার একদিন হবেই, হোক সেটা ইহকালে বা পরকালে। আমার এই টিউটির উদ্দেশ্য আপনাদের উপকার করা, তবে কোন ভাবে যদি কেউ এর আপব্যবহার করে তবে ভবিষৎতে এর থেকে ১০০গুন উন্নত মানের হ্যাকিং টিউন আমি আর করবো না।

PDF Password Remover

@lmas 1

Windows XP Admin Password Remover

 বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

Zip File Password Cracker

@lmas 3

Microsoft Office Password Remover

 বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

Windows Vista Admin Password Recovery

@lmas 5

RAR File Password Cracker

@lmas 6

EXE File Password Recovery

@lmas 7

Windows 7 Password Cracker

@lmas 8

MSN Password Recovery

@lmas 9

Mozilla Firefox Password Cracker

@lmas 10
(সময় সল্পতার কারনে ১০টি সফটওয়্যারের নাম ও ছবি দিলাম।)
dyktqq বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes
আসা করি আমার এই টিউনটি আপনাদের কাজে লাগবে। আর ভাল লাগলে আমাকে অবশ্যই কমেন্ট করবেন।

আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত

Main Picture
আধুনিক প্রযুক্তির কত কত অবদান। এর অবদান কি আমরা বলে শেষ করতে পারবো? প্রযুক্তি আমাদের কি না দিয়েছে। দিয়েছে সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য, আমাদের বেঁচে থাকার সকল উপাদানের সহজলভ্য উপস্থিতি। কিন্তু তাই বলে কি এর কোন ক্ষতিকর প্রভাব নেই? হ্যাঁ, এর ক্ষতিকর প্রভাবও কম নয়। প্রযুক্তির সবচেয়ে ভয়ংকর অবদানগুলোর মধ্যে অন্যতম প্রধান অবদান হচ্ছে মারণাস্ত্র। যার আবার অগ্রপথিক হিসেবে বিবেচিত হয় যুদ্ধ বিমান। বিশ্বযুদ্ধগুলো থেকে শুরু করে প্রতিটি যুদ্ধে কত ধরণের যে শত শত যুদ্ধ বিমান ব্যবহৃত  হয়েছিল এবং হচ্ছে তার কোন ইয়াত্তা নেই। আজ আমি আপনাদের কাছে এ যুদ্ধ বিমানগুলোর জেনারেশন বা প্রজন্ম নিয়ে আলোচনা করবো । এক্ষেত্রে প্রথমেই আমাদের জানতে হবে জেনারেশন বলতে কি বোঝায়? বর্তমানের যুদ্ধ বিমানগুলো বিভিন্ন পর্যায় অতিক্রম করে আজকের অবস্থানে এসেছে। পরিবর্তন ও বিকাশের এই একেকটি পর্যায় বা ধাপকে একেকটি প্রজন্ম বা ইংরেজিতে জেনারেশন বলা হয়। প্রতিটি প্রজন্মের মাঝেই বেশ কিছু বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান থাকে। আবার প্রতিটি প্রজন্ম পরিবর্তনের সময় এতে বেশ কিছু নতুন বৈশিষ্ট্য অন্তর্ভুক্ত হয়, তবে আগের প্রজন্মের বৈশিষ্ট্যগুলোও নতুন প্রজন্মে বিদ্যমান থাকে। নিম্নে ছবির মাধ্যমে যুদ্ধবিমানের প্রজন্মগুলো তুলে ধরা হলো-

প্রথম প্রজন্মের সাবসনিক জেট ফাইটার

মোটামোটি ৪০ এর দশকের মধ্যবর্তী সময় থেকে ১৯৫০ সালের মাঝে যে যুদ্ধ বিমানগুলো ব্যবহৃত হতো সেগুলোকে প্রথম প্রজন্মের যুদ্ধবিমান বলা হয়ে থাকে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে এ ধরণের যুদ্ধ বিমানগুলো ব্যবহার করা হতো। এগুলো ছিল অত্যন্ত ধীরগতি সম্পন্ন। এরা আকাশে বেশি উপরে উঠতে পারতো না। এদের ইঞ্জিন ছিল দুর্বল এবং কার্য ক্ষমতা ছিল কম। এই প্রজন্মের বিমানগুলো একবারে বেশি দূর যেতে পারতো না। নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলতে ছিল সাধারণত কম ক্ষমতা সম্পন্ন হালকা মেশিনগান। এ প্রজন্মের বিমানের সহায়তায় পৃথিবীতে প্রথমবারের মতো পারমানবিক বোমা ব্যবহার করা হয়।
1stg1. Messerschmitt Me 262A
1stg2. Gloster Meteor Mk III ExCC1stg3. F-86(উপরের তিনটি বিমানের নাম যথাক্রমে Messerschmitt Me 262A, Gloster Meteor Mk III ExCC, F-86)

দ্বিতীয় প্রজন্মের জেট ফাইটার

প্রায় ১৯৫০ সাল থেকে ১৯৬০ সালের মধ্যবর্তী সময়ের যুদ্ধ বিমানগুলোকে দ্বিতীয় প্রজন্মের যুদ্ধবিমান বলা হয়ে থাকে। এ বিমানগুলো আগের প্রজন্মের চেয়ে বেশ দ্রুত গতিশীল। এ প্রজন্মে নিরাপত্তা ব্যবস্থা হিসেবে রাডার পরিচালিত মিসাইল ব্যবহার করা শুরু হয়। এদের ডিজাইনে ব্যাপক পরিবর্তন সাধন করা হয়। ফলে এ প্রজন্মের বিমানগুলো আগের চেয়ে সাবলীল ও সুন্দরভাবে যুদ্ধ পরিচালনার সক্ষমতা অর্জন করে।2ndg1. English Electric Lightning
2ndg2. Two Mirage III2ndg3. MiG-21F(উপরের তিনটি বিমানের নাম যথাক্রমে English Electric Lightning, Two Mirage III,
MiG-21F)

তৃতীয় প্রজন্মের জেট ফাইটার

মোটামোটি ১৯৬০ সাল থেকে ১৯৭০ সালের মাঝের যুদ্ধ বিমানগুলোকে তৃতীয় প্রজন্মের যুদ্ধ বিমান বলা হয়ে থাকে। এগুলো অত্যন্ত দ্রুত গতিশীল এবং প্রচন্ড শক্তিশালী। এরা রাডারকে ফাঁকি দিতে এবং আকাশ থেকে আকাশে কার্যকরী যুদ্ধ পরিচালনায় খুব পারদর্শী। এ প্রজন্মের বিমানগুলোকে বর্তমান প্রজন্মের পথিকৃত বলা হয়।
3rdg1. F-4E Phantom3rdg2. Chengdu J-7PG3rdg3. Shenyang J-8(উপরের তিনটি বিমানের নাম যথাক্রমে F-4E Phantom, Chengdu J-7PG, Shenyang J-8)

চতুর্থ প্রজন্মের জেট ফাইটার

১৯৭০ সাল থেকে প্রায় ১৯৯০ সালের মাঝামাঝি সময়ের জেট ফাইটার বিমানগুলো এ প্রজন্মের অন্তর্ভুক্ত। এ প্রজন্মের বিমানগুলো প্রচন্ড দ্রুত গতিশীল এবং এরা আকাশ থেকে ভূমি, আকাশ থেকে আকাশ, আকাশ থেকে পানি যেকোন আবহে যুদ্ধে পারঙ্গম। এরা রাতের বেলাতেও সফলতার সাথে যুদ্ধ পরিচালনা করতে পারে। একেকবারে এ প্রজন্মের যুদ্ধ বিমানগুলো অনেক দূরের দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে।4thg1. F-16 Fighting Felcon
4thg2. Sukhoi Su-27 ‘Flanker’4thg3. Tornado4thg4. Mirage 2000(উপরের চারটি বিমানের নাম যথাক্রমে F-16 Fighting Felcon, Sukhoi Su-27 ‘Flanker’, Tornado, Mirage 2000)

৪.৫ এবং পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধ বিমান

১৯৯০ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সময়ের যুদ্ধ বিমানগুলো ৪.৫ প্রজন্মের যুদ্ধ বিমান হিসেবে বিবেচিত হয় এবং ২০০৫ সাল থেকে বর্তমান পর্যন্ত সময়ের যুদ্ধ বিমানগুলো পঞ্চম প্রজন্মের যুদ্ধ বিমান হিসেবে ধরা হয়। সর্বাধুনিক অস্ত্র, মিসাইল দিয়ে এ যুদ্ধ বিমানগুলো সজ্জিত। এগুলো একসাথে অনেকগুলো পারমানবিক বোমা বহনে সক্ষম। এ প্রজন্মে কিছু রোবট যুদ্ধ বিমানের প্রচলন সৃষ্টি হয়, যারা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শত্রু এলাকায় হামলা চালাতে পারে, এগুলোতে কোন চালকের প্রয়োজন হয় না। এ প্রজন্মের বিমানগুলো শব্দের চেয়ে কয়েকগুণ দ্রুত গতিতে উড়তে পারে। কিছু কিছু বিমান এতই দ্রুত উড়ে যে উড়ার সময় যে প্রচন্ড তাপের সৃষ্টি হয় তাতে এরা আকারে কয়েক ইঞ্চি পর্যন্ত প্রসারিত হয়। এদের ধবংস ক্ষমতা অকল্পনীয়।
5thg1. Dassault Rafale5thg2. Eurofighter Typhoon5thg3. F-18E Super Hornet5thg4. F-22 Raptor5thg5. F-355thg6. Sukhoi T-50(উপরের ছয়টি বিমানের নাম যথাক্রমে Dassault Rafale, Eurofighter Typhoon, F/A-18E Super Hornet, F-22 Raptor, F-35, Sukhoi T-50)
এতো গেল ভয়ংকর মারণাস্ত্রগুলো সম্পর্কে একটি ক্ষুদ্র বর্ণনার প্রয়াস। এবার আসুন দেখি এই  দানবগুলোর এবং এগুলো দ্বারা সংগঠিত যুদ্ধের কিছু ভয়ংকর ছবি (এখানে যে ছবিগুলো প্রকাশিত হলো এগুলো তাও অনেক কম ভয়ংকর, কিন্তু গুগলে খোঁজ করতে যেয়ে আমি এমন কিছু ছবি পেয়েছি যা দেখলে অনেকেই স্বাভাবিক থাকতে পারবে না, তাই বেছে বেছে কিছু ছবি এখানে তুলে ধরলাম)।
 আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত | Techtunes আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত | Techtunes আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত | Techtunes আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত | Techtunes আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত | Techtunes আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত | Techtunes আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত | Techtunes আধুনিক প্রযুক্তির ভয়ংকর অবদানঃ যুদ্ধ বিমানের ইতিবৃত্ত | Techtunes
সবগুলোর মাঝে বিশেষ করে শেষের ছবিগুলো লক্ষ্য করুন। এ ছবিগুলো মধ্যপ্রাচ্যের গাজার ছবি। বলুন আমরা কি এরকম একটা ভয়ংকর পৃথিবী দেখতে চাই যেখানে একটি ছোট শিশুরও জীবনের নিরাপত্তা নেই, নেই বেঁচে থাকার সুন্দর একটি আশ্বাস! আমরা কি তবে এভাবেই বেঁচে থাকবো? আমার এ প্রশ্নটি শুধু আপনার কাছে নয়, বরং পৃথিবীর সকল দেশের ক্ষমতাবান সকল তথাকথিত গণ্যম্যন্য লোকদের কাছে যারা ইচ্ছা করলেই এ ধবংসাত্নক খেলা বন্ধ করতে পারে, আমাদের দিতে পারে একটি সুন্দর পৃথিবীর সুন্দর জীবনের আশ্বাস আর প্রযুক্তিকে করতে পারে কলঙ্কমুক্ত।
(তথ্যসূত্রঃ উইকিপিডিয়া এবং ইন্টারনেট)