Showing posts with label টিপস. Show all posts
Showing posts with label টিপস. Show all posts

Tuesday, June 15, 2010

৬টি ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডিটর – আপনি হয়ত জানেনও না

আমার মনে হয় সেই দিন আর বেশি দুরে না যখন বেশিরভাগ মানুষই ওয়েব বেসড্ এ্যাপ্লিকেশনের (Web Based Application) ফ্যান হয়ে পরবে। ওয়েব বেসড্ এ্যাপ্লিকেশনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হল আপনি যে কোন পিসি থেকে রান করতে পারবেন (সাধারনত ব্রাউজারে)। আর বেশিরভাগ ক্ষেত্রে আপনি আপনার কাজ অনলাইনেও সেভ করতে পারবেন। এড়াতে পারবেন ডেস্কটপ বেসড্ এ্যাপ্লিকেশানের ইন্সটল করার মত ঝামেলাকে এড়াতে পারবেন এবং আবার ওয়েব সার্ভিসের সাথেও ইন্টারকানেক্টেড থাকতে পারবেন।নিচে আপনাদের কাছে কয়েকটি জনপ্রিয় ইমেজ এডিটর কে তুলে ধরালাম -

পিক্সএলআর

06 01 pixlr ৬টি ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডিটর   আপনি হয়ত জানেনও না | Techtunes
এটি খুবই জনপ্রিয় ফ্ল্যাশবেসড্ ইমেজ এডিটর যার জিআইইউ অনেকটা এ্যাডোবির ফটোশপের মতই। Pixlr API যার ডেভেলপিং এখনও চলছে, এর মাধ্যমে আপনার ব্লগের, ওয়েবসাইট অথবা ওয়েব এ্যাপ্লিকেশানের সাথে পিক্সএলআরের এর একটি ইন্টারকানেকশান তৈরী করতে পারবেন।এর স্মার্ট ওয়্যান্ড টুলের সাহায্যে আপনি সহজেই সদৃশ্যমান এবং বৈশাদৃশ্যমান পিক্সেলকে অটোম্যাটিকালি সিলেক্ট করতে পারবেন (ঠিক ফটোশপের ম্যাজিক ওয়্যান্ড টুলের মত)।

স্প্ল্যাশআপ

splashu ৬টি ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডিটর   আপনি হয়ত জানেনও না | Techtunes
এটি একটি ফচার প্যাকড্ অনলাইন ইমেজ এডিটর যা পপুলার ফটো শেয়ারিং সার্ভিস ফ্লিকার, পিকাসা এবং ফেসবুকের সাথে ইন্টিগ্রেটেড। এবং আপনি চাইলে রিমোটলি আপনার ফটোগুলোতে এ্যাক্সেস করতে পারবেন। স্প্ল্যাশআপের কয়েকটি কুল ফিচার হল এর ব্লেন্ডিং মোডের লেয়ার, আপনার ওয়েব ক্যাম থেকে ইমেজ ক্যাপচার করা এবং বিভিন্ন ভ্যারাইটির ফিল্টার এবং লেয়ার ইফেক্ট।

ফোনিক্স

06 03 pheonix ৬টি ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডিটর   আপনি হয়ত জানেনও না | Techtunes
এ্যাভিয়ারির ফোনিক্স একটি শক্তিশালী ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডিটর যা আসলেই চ্যালেজ্ঞ করতে পারে আপনার ডেস্কটপ বেসড্ ইমেজ এডিটরগুলোকে। ফোনিক্সে এ্যাক্সেস পেতে হলে আপনাকে প্রথমেই সাইনআপ করতে হবে। একবার সাইনআপ হয়ে গেলে আপনি এ্যাভিয়ারির অন্নান্য টুল যেমন – peacock (ভিজুয়্যাল ল্যাবরেটরি) toucan (কালার এবং সোয়াচিং টুল)। আপনি চাইলে এক নজরে এর কিছু টিউটোরিয়ালও দেখতে পারেন।

pixer.us

06 04 pixelus ৬টি ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডিটর   আপনি হয়ত জানেনও না | Techtunes
আপনি যদি সিম্পল কোন ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডটিং টুলের সন্ধানে থেকে থাকেন তাহলে এই টুলটি আপনার জন্যে সুইটেবল হতে পারে। এর ইন্টারফসটি খুবই সিম্পল এবং এতে আছে ইউজফুল ফটো এডিটিং ফিচার যেমন – ক্রপিং, রিসাইজিং এবং রোটেটিং। এর আরো আছে কালার এ্যাডজাস্টমেন্ট অপশন  – স্যাচিউরেশন, ব্রাইটনেস এবং কন্ট্রাস্ট এ্যাডজাষ্টমেন্ট। আপনি চাইলে আপনার কাজ PNG, JPG, GIF, অথবা BMP ফরম্যাটে সেভ করতে পারবেন।

 

ফটোফ্লেক্সার

06 05 fotoflexer ৬টি ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডিটর   আপনি হয়ত জানেনও না | Techtunes
ফটোফ্লেক্সার এর ফিচারের ছড়াছড়ি থাকলেও এটা ব্যবহার করা কিন্তু খুবই সিম্পল। আপনি চাইলে ফটোফ্লেক্সার এর ডেমো পজেটি দেখতে পারেন। এতে আপনি ইন্সট্যান্টলি কিছুটা হলেও এই টুলের ব্যাপারে অনেকটা আইডিয়া পাবেন। এতেও আপনি পাচ্ছেন সকল কমন ফটো এডিটিং ফিচার। এটিও ফ্লিকার, পিকাসা, ফটোবাকেট, ফেসবুক, মাইস্পেস এর সাথেও ইন্টিগ্রটেড।

 

স্যুমো পেইন্ট

06 06 sumopaint ৬টি ওয়েব বেসড্ ইমেজ এডিটর   আপনি হয়ত জানেনও না | Techtunes
এটি আপনাকে ইমেজ ক্রিয়েট এবং এডিটিং এর এনভাইরোমেন্ট করে দিয়েছে। ইউনিক শেপ ড্র করার জন্যে আছে এর শেপ ড্রয়িং টুল। হাই কোয়ালিটির ব্রাশের সেট, স্কেল সেট করার জন্যে ট্রান্সফর্ম টুল এবং আরো কয়েকটি ফিচার।

ধারাবাহিক SEO টিপস

SEO কি?


SEO এর পুরো রূপ হল Search Engine Optimization। অর্থাৎ আপার সাইটকে বিভিন্ন সার্চ ইঞ্জিনে সাবমিশন (প্রদান) করাকেই SEO বলা হয়। এতে আপনার সাইটে অনেকেই সার্চ করে খুজে পাবে।

SEO কেন?

আপনি অনেক কষ্ট করে একটি ওয়েবসাইট বানালেন। কিন্তু সেটা কেউ জানতে পারল না। আপনি প্রতিনিয়ত নতুন নতুন পোস্ট করে যাচ্ছেন। সেটা আড়ালেই থেকে যাচ্ছে। আপনার পোস্ট/তথ্য গুলো কেউ জানতে পারছে না। তাহলে কি আপনার পরিশ্রম সার্থক হবে? উত্তর আসবে “না”। কারন ওয়েবসাইট তৈরির পরই আপনার কাজ হবে আপনার সাইটকে সবার মাঝে পরিচিত করা। বিভিন্নভাবে আপনার সাইটকে আপনি SEO করতে পারবেন। এই SEO করার কিছু কিছু টিপস অবলম্বন করতে হয়। তাহলে আপনার সাইট সম্পর্কে সবাই জানতে পারবে। সেই টিপসগুলোই আশাকরি আপনাদের মাঝে দিতে পারব নিয়মিত।



কিভাবে SEO করব?

বিভিন্ন পদ্ধতি আছে SEO করার জন্য। তার মধ্যে কিছু ভাল ভাল পদ্ধতি আমি তুলে ধরলাম
টুইটার: টুইটার একটি জনপ্রিয় মাইক্রো ব্লগিং সিস্টেম। এখানে আপনি ১৪০ অক্ষরে ব্লগিং করতে চান। একটু ভাল করে টুইটারকে ব্যবহার করে টুইটার থেকে আপনি অনেক ভিজিটর পাবেন। আপনার সাইট যদি ব্যক্তিগত ব্লগ হয় তাহলে আপনি আপনার নামে একটি টুইটার একাউট তৈরি করুন। যদি আপনার সাইটটি্একটি প্রজেক্ট এর নামে বা অন্য কোন ধরনের (যেমন ক্রিকেট, ফুটবল, কোন স্থানের পোর্টাল) হয় তাহলে সাইটের নামে টুইটার একাউন্ট তৈরি করুন। আপনার সাইটের পোস্টের লিংকসহ টুইটারে শেয়ার করুন। উল্লেখ্য টুইটারে ১৪০ শব্দের বেশী লেখা যায় না। তাই লিংক বড় হলে কোন URL শর্টেনার ব্যবহার করতে পারেন।

সোশ্যাল বুকমার্ক ব্যবহার করা: আপনার সাইটের পোস্টগুলো সবসময় সোশ্যাল বুকমার্কের ওয়েবসাইটে শেয়ার করুন। এখান থেকেও আপনি ভিজিটর পাবেন।

ওয়েব ডাইরেক্টরীতে সাবমিট: ইন্টারনেটে প্রচুর ফ্রি ওয়েবডাইরেক্টরী পাওয়া যায়। এখানে আপনার সাইট বর্ণনা দিয়ে আপনার সাইট সাবমিট করুন। এখান থেকেও ভিজিটর পাবেন আশাকরি।

লিংক আদান প্রদান: আপনার বন্ধুর কোন সাইটের সাথে লিংক এক্সচেঞ্জ করতে পারেন। এটার অর্থ হল আপনি আপনার বন্ধুর সাইটের লিংক আপনার সাইটের রাখবেন এবং আপনার বন্ধু আপনার সাইটের লিংক রাখবেন। এভাবে দুইজনই ভিজিটর পাবেন।

ব্যাক লিংক: এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইটের RANK নির্ধারণের জন্য ব্যাকলিংককে প্রাধান্য দেয়। ব্যাক লিংক হল অন্য সাইটে আপনার সাইটের লিংক থাকা। বিভিন্ন ওয়েবসাইটে আপনার সাইটটি সম্পর্কে পরিচিত করে তুলুন। মন্তব্যের সাথে লিংক দিন। তবে এ কাজটি সাবধানে করবেন। কারন অতিরিক্ত মন্তব্যের সাথে লিংক দিলে স্প্যাম হিসেবে গণ্য হতে পারেন।

Monday, May 3, 2010

নোটবুক/লেপটপ এর যত্ন এবং রিপেয়ার গাইড।

বতমানে আইটি বাজারে বিভিন্ন ব্রান্ড এর নোটবুক/লেপটপ পাওয়া যায়, একেক জনের কাছে একেক ব্রান্ড এর লেপটপ পছন্দ। এখানে বিভিন্ন ব্রান্ড এর নোটবুক/লেপটপ এর যত্ন, রিপেয়ার এবং অন্যান্য খুটিনাটি জানার জন্য গুরুত্বপূর্ন কিছু ওয়েব সাইট নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।
image laptop notebook repair নোটবুক/লেপটপ এর যত্ন এবং রিপেয়ার গাইড। | Techtunes
Inside My Laptop : এই সাইটিতে পাবেন নোটবুক রিপেয়ার, আপগ্রেড এবং টিপস এন্ড ট্রিকস। এখানে ছবি সহ বিস্তারিত বিবরন পাওয়া যাবে। http://www.insidemylaptop.com
Laptop Repair 101 : ট্রাবলশুটিং এবং টিপস এন্ড ট্রিকস পাবেন এই সাইটে। http://www.laptoprepair101.com
Repair4Laptop :নোটবুক কিভাবে নিজে নিজে disassemble এবং রিপেয়ার করা যায় তার ধারনা পাবেন এই সাইটটিতে। http://repair4laptop.org/
Laptop User Manuals :  নোটবুক এর Service manuals, schematics and documentation পাবেন এই সাইট গুলোতে।
http://www.retrevo.com/samples/Laptop-manuals.html
http://www.freelaptopmanuals.com
http://www.notebook-manuals.com
http://www.elhvb.com
http://9manuals.com
http://manuals4you.co.uk/laptop_user_guide_service_manual.html
http://www-307.ibm.com/pc/suphttp://welcome.hp.com/country/us/en/support.htmlport/site.wss/migr-39298.html
http://www.tim.id.au/blog/tims-laptop-service-manuals/
http://support.dell.com/
http://www.service-manual.net
http://www.eserviceinfo.com/equipment_type/Notebooks_43.html
User Guides Recovery CD Service Manuals : বিভিন্ন মডেলের নোটবুকের User guides recovery cds and service manuals পাবেন এই সাইটিতে।
http://www.user-guides.co.uk
Toshiba Laptop Disassembly Guides : এই সাইটিতপাবেন  Toshiba laptop disassembly instructions with pictures and explanation.
http://www.irisvista.com
Sony laptop disassembly instructions :Sony বিভিন্ন মডেলের নোটবুকের disassembly instructions পাবেন এই সাইটিতে।
http://forum.ixbt.com/post.cgi?id=print:17:22149
Hard drive Removal Guide : বিভিন্ন মডেলের নোটবুকের Hard drive disk removal guides.  Compaq, Dell, Gateway, Hewlett Packard, IBM, Micron/MPC, NEC, Sony and Toshiba. এর গাইড পাওয়া যাবে এই সাইটিতে।
http://www.cmsproducts.com/notebook_drive_removal.htm
Disassembly Guides for Macs : এখানে ম্যাক কম্পউটারের Disassembly guides Detailed instructions with pictures and explanations for PowerBook and iBook computers পাওয়া যাবে।
http://www.ifixit.com/Guide/


source:

লগ-অনের সময় প্রিয়জনের ছবি

  নেটওয়ারকে থাকা কমপিউটারে কাজ শুরু করতে লগ-অন করতে হয়। এ কথা অজানা নয়। প্রতিবার লগ-অনের আগে প্রিয়জনের ছবি ইচ্ছা করলেই দেখা যায়। এটি কিন্তু ডেস্কটপের ওয়ালপেপার নয়। এটি করতে চাইলে      * Start/Run-এ গিয়ে regedit লিখে Enter দিয়ে Registry Editor খুলুন।     * বাম পাশের প্যানেল থেকে HKEY_USERS\DEFAULT\Control Panel\Desktop-এ যান।     * ডান প্যানেলে রাইট ক্লিক করে New>String Value নিন। এর নাম দিন Wallpaper ।     * এতে ডাবল ক্লিক করে Edit String উইন্ড আনুন। Value Data-তে ছবিটির পুরো স্থান লিখে দিন। যেমন :- C:\ihfarid\My Documents\ihfarid’s Pictures\weall । ছবিটি অবশ্যই *.bmp ফরম্যাটে হতে হবে। *.jpg ফরম্যাটের হলে অ্যাডবি বা ছবি সম্পাদনের সফটওয়ার দিয়ে *.bmp ফরম্যাট করে নিন।     * Registry Editor বন্ধ করে কমপিউটার Restart করুন।  লগ-অনের আগে কাঙ্খিত ছবিটি দেখতে পাবেন। এই টিপসটি Windows XP-এর জন্য প্রযোজ্য।

source:

কিছু প্রয়োজনীয় Google Seacrh টিপস n' টার্মস



আবারো সার্চ, আবারো টিপস, আবারো ছোট। এবারের সার্চ টিপসগুলো যারা গুগলে সার্চ করেন তাদের জন্য। এ টিপসগুলো ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ইন্টারনেটের অনেক ফোরাম, ব্লগ সাইট এমনকি ইউটিউবেও। অনেকেই হয়তো এগুলো জানেন, তারপরও এই আবার জানানো। অনেকেরই একটা অভিযোগ আছে গুগলের বিরুদ্ধে যে গুগলে সার্চ দিয়ে তারা "গারবেজ" রেজাল্ট অর্থাৎ কিনা অপ্রাসঙ্গিক রেজাল্ট পান। তবে সত্যি কথা হলো যে চেষ্টা করে হলেও গুগলের কাছ থেকে "গারবেজ" রেজাল্ট বের করাটা বেশ কষ্টকর। :D গুগল তার সার্চের ব্যাপারে বেশ স্পেসেফিক, কোন কোন ক্ষেত্রে হয়তো একটু বেশিই।

১. গুগলে সহজে কোন নির্দিষ্ট ধরনের ফাইল খুঁজে পেতে কিছু বিশেষ ধরনের সার্চ টার্ম বেশ সহায়ক। ধরুন আমার টাইটানিক ম্যুভির সেই বিখ্যাত My heart will go on গানটি দরকার। তাহলে আমি গুগলে সার্চ দেবো:

intitle:"index.of" my heart will go on mp3

সার্চ রেজাল্টে ৫ম লিংকটি ধরে পৌঁছে গেলাম এই লিংকটিতে: View this link এবং পেয়ে গেলাম কাঙ্ক্ষিত গানটি ও বোনাস হিসেবে Celine Dion এর আরো অনেক গান।

এই সার্চ টার্মটি আপনি বিভিন্ন কাজে ব্যবহার করতে পারেন। যেমন আমি হ্যারি পটার সিরিজের Prisoner of Azkaban বইটির দরকার। তাহলে আমি গুগলে সার্চ দেবো:

intitle:"index.of" Prisoner of azkaban pdf

সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতার ১০ম অর্থাৎ শেষ লিংকটি আমাকে নিয়ে গেলো এই পাতায়: View this link এবং পেয়ে গেলাম কাঙ্ক্ষিত বইটি - সাথে হ্যারি পটার সিরিজের আরো ৫টি বই (আফসোস Deathly Hallowsটা নেই, অবশ্য ওটা লিখে সার্চ দিলে ওটাও পাওয়া যাবে)।

যদি উপরে হ্যারি পটারের বইয়ের লিংকটিতে ক্লিক করে থাকেন তাহলে দেখবেন যে pdf ফাইলগুলো বেশ সুসজ্জিতভাবে আছে, যেনো অনেকটা আমার ফোল্ডারের ভেতরে যেভাবে ফাইলগুলো রাখি সেভাবে - যেনো আপনার জন্যেই অপেক্ষা করছিলো। ;)



আসলে ব্যাপারটা অনেকটা সেরকমই। যদি খুব জটিল টেকি ভাষায় গিয়ে না বলি তাহলে বলা যায় যে প্রায় প্রতিটি সাইটেই এর কন্টেন্টগুলো এরকম নির্দিষ্ট কিছু ডাইরক্টেরিতে সজ্জিত থাকে আর এই ডাইরেক্টেরিগুলোকে আমরা দেখতে পাচ্ছি Index Viewতে। লক্ষ্য করুন ঐ পাতায় Parent Directory নামে একটা লিংক আছে তীর চিহ্নিত। Parent Directoryতে ক্লিক করলে আপনি আগের ফোল্ডার তথা ডাইরক্টেরিতে যেতে পারবেন - অর্থাৎ আপনি দেখতে পারবেন ঐ ডাইরেক্টরিতে/সাইটে আর কি কি আছে। ;) এটাকে কল্পনা করা যেতে পারে অনেকটা উইন্ডোজের Up বাটনের সাথে।

এভাবে পাওয়া লিংকগুলো প্রায় প্রতি ক্ষেত্রেই ডাইরেক্ট হয়। সাধারণ সার্চ আর এ ধরনের সার্চের মধ্যে মূল পার্থক্যটা হলো এভাবে দেয়া সার্চগুলো সরাসরি কন্টেন্টের ভেতরে সার্চ করে ফলে সার্চ রেজাল্টগুলো অনেক বেশি Specific হয়, অনেক বেশি প্রাসঙ্গিক হয় - অবশ্য আমরা নিজেরাই তো সার্চ দেয়ার সময়ই গুগলকে সেটা বলে দিচ্ছি তাই নয় কি? ;) তবে এভাবে সার্চ করেও যে আপনি প্রতি ক্ষেত্রেই প্রাসঙ্গিক কিছু পাবেন তা কিন্তু নয়। অনেক সময় অনেক অকাজের জিনিসও পাবেন। আবার অনেক সময় কাজের জিনিসতো পাবেনই সাথে পাবেন আরো অনেক এক্সট্রা। যেমন ধরুন আমি একটু আগে গুগলে সার্চ দিয়েছিলাম:

intitle:"index.of" Adobe Photoshop CS3

প্রথম লিংকটাই আমাকে নিয়ে গেলো এই লিংকে: View this link এবং Adobe Photoshop CS3 পেয়ে গেলাম ক্র্যাকসহ। ;) কিন্তু আমার আরেকটু বিচরণ করার শখ জাগলো। Parent Directoryতে ক্লিক করলাম - আরে এ কি হেরেণু! এ তো খনি! :D View this link

আবার হ্যারি পটারের লিংকটার কথাই ধরুন না। আমার ওখানেও বিচরণ করার শখ জেগেছিলো। করলাম Parent Directoryতে ক্লিক। বাহ্! চমৎকার! পেয়ে গেলাম JRR Tolkien এর Lord of The Rings আর Stephen Hawking এর কিছু বই আর লেকচার: View this link :)

ভিডিও/গান/পিডিএফ বই ফাইল খুঁজে পেতে নিচের সার্চ টার্মটির জুড়ি নেই:

-inurl:htm -inurl:html -inul:asp intitle:"index of" (wmv|mpg|avi) starwars

এই সার্চ টার্মের starwars কে পরিবর্তন করে আপনার যে ভিডিও/গান/বই প্রয়োজন সেটির নাম লিখুন। wmv|mpg|avi অংশটি পাল্টে যে ফাইল ফরম্যাট প্রয়োজন তা লিখতে পারেন। যেমন ডিভিডি রিপ ম্যুভির ক্ষেত্রে লিখতে পারেন avi|divx|mkv|mp4 প্রভৃতি। আবার মিউজিক বা গান সার্চ দিলে লিখতে পারেন mp3|wma|wav ইত্যাদি।

এখানে একটা ব্যাপার জেনে রাখুন, খুব জনপ্রিয় কোন কন্টেন্ট খোঁজার ক্ষেত্রে এটার তেমন কোন প্রয়োজন নেই। এটা একমাত্র তখনই ব্যবহার করুন যখন গুগল আপনাকে সাধারণভাবে সার্চ দিলে কোন প্রাসঙ্গিক লিংক দিচ্ছে না বা আপনার ফাইলটার ডাইরেক্ট লিংক দরকার।
এক্সপেরিমেন্ট করুন - ভিন্ন ভিন্ন সার্চ টার্ম ট্রাই করুন। এক্সপেরিমেন্টের কোন বিকল্প নেই।

২. মাঝে মাঝে আমাদের কোন কিছুর বর্ণনা নয়, ব্যাখ্যা নয় প্রয়োজন পড়ে শুধু মাত্র সংজ্ঞা বা সার অংশটুকুর। ধরুন আমার Dermatology কি জিনিস জানা দরকার। তাহলে আমি গুগলে সার্চ দেবো:

define:dermatology

গুগল এখন সমগ্র নেটে সার্চ করে বেশ কিছু প্রাসঙ্গিক (এবং কখনো কখনো কিছুটা অপ্রাসঙ্গিক) সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা নিয়ে আসবে রেজাল্ট পেইজে। B-)

আসুন আরো একটু প্রাসঙ্গিক হই, হই আরো একটু সুনির্দিষ্ট। অনেক সময়ই আমাদের শুধু একটা সাইটের মধ্যে সার্চ দেয়ার দরকার পড়ে। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায় ঐ সাইটের নিজস্ব কোন সার্চ টুল নেই অথবা থাকলেও তা খুব অপ্রাসঙ্গিক রেজাল্ট প্রদর্শন করছে। এখন উপায়। উপায়টা বেশ সহজ। ধরে নেই আমি শুধুমাত্র Somewhere In...blog এর মধ্যে "মাইনাস" শব্দটা সার্চ দিতে চাই, তাহলে আমি গুগলে লিখবো:

মাইনাস site:somewhereinblog.net

আবার মনে করি, আমি Somewhere In...blog এর ব্লগে কোন নির্দিষ্ট এক ধরনের ফাইলগুলো খুঁজে পেতে চাই। ধরা যাক টেক্সট ফাইল। তাহলে আমি গুগলে লিখবো:

site:somewhereinblog.net filetype:txt

অবশ্যই আপনি Somewhere In ও ফাইলটাইপ নিজের প্রয়োজন মতো পরিবর্তন করবেন।

আরো কিছু ছিলো কিন্তু এখন মনে পড়ছে না। আর যা আছে বেশিরভাগই কাজের জিনিস না - হিডেন ওয়েবক্যাম, নেটওয়ার্ক প্রিন্টার ইত্যাদি। কাজের কিছু পরে মনে পড়লে পোস্টে জুড়ে দেবো। :)

 

কম্পিউটারের ফ্রি টিপস(একসাথ+Update)


দৈনন্দিন কম্পিউটার পরিচালনায় আমরা ছোটখাটো নানাবিধ সমস্যার সম্মুখীন হই। এক্ষেত্রে দেখা যায় আমাদের প্রয়োজনের সময় আমরা অনেক কাজই ঠিকভাবে করতে পারি না। কম্পিউটার পরিচালনায় নিজেকে আরো দক্ষ করে তুলতে নিচের সাইটগুলো আপনাকে অনেকখানি এগিয়ে নিয়ে যাবে। বিশেষ করে কম্পিউটার/তথ্য প্রযুক্তি নিয়ে যারা ভবিষ্যতে কাজ করতে আগ্রহী আশা করি তাদের জন্য এ সাইটগুলো বেশ কাজে আসবে। কম্পিউটার ও তথ্য প্রযুক্তির নানা দিক, সমস্যা ও সমাধানের উপায় সম্পর্কে বিশদভাবে আলোচনা করা হয়েছে সাইটগুলোতে। সাইটগুলোর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে ক্যাটাগরি অনুযায়ী টিপসগুলোকে ভাগ করা হয়েছে। ফলে ব্যবহারকারীরা তাদের সুবিধামত টিপস ও টিউটোরিয়ালগুলোকে খুঁজে নিতে পারবে। বর্তমানে ইন্টারনেটে কম্পিউটার, ইলেকট্রনিক্স যন্ত্রপাতি ও তথ্য প্রযুক্তির বিভিন্ন ডিভাইস সমূহের উপর বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের জন্য অজস্র ওয়েবসাইট রয়েছে। সেগুলো থেকে উল্লেখযোগ্য কয়েকটি ওয়েবসাইট এখানে দেয়া হল:

http://www.easycomputertips.com

নাম দেখেই সহজেই বোঝা যায় সাইটটিতে আছে খুব সহজে ও স্বাচ্ছন্দ্যে কীভাবে আপনার কম্পিউটার পরিচালনা করবেন সে সম্পর্কিত হাজারো টিপস। বিভিন্ন ক্যাটাগরি অনুযায়ী টিপসগুলোকে সাজানো রয়েছে। Web and Email, Online Safety, Software, Using your PC, Featured Tips ক্যাটাগরি অনুসারে সাজানো রয়েছে টিপসগুলো। Web and Email ক্যাটাগরির মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন ইমেইল সফটওয়্যার, ওয়েব বেজড ইমেইল সাইটের উপর বিভিন্ন টিপস, স্প্যাম প্রতিরোধে করণীয়, ওয়েব ব্রাউজিং, ওয়েব সাইট তৈরির খুঁটিনাটি বিষয় সম্পর্কিত তথ্য। Online Safety সেকশনটিতে রয়েছে নিরাপদে ইন্টারনেটের ব্যবহার, ফায়ারওয়ালের ব্যবহার, চিলড্রেন সেফটি, স্পাইওয়্যার, অ্যাডওয়ার এবং স্পাইটবট থেকে কীভাবে পিসিকে রক্ষা করা যায় সে সম্পর্কিত সামপ্রতিক তথ্য। Using Your PC সেকশনটিতে আছে পিসির দৈনন্দিন সমস্যা সম্পর্কিত সমাধান, কুইক টিপসসহ অসংখ্য টিপস। এছাড়াও রয়েছে কম্পিউটারকে কীভাবে দ্রুতগতির করা যায় সে সম্পর্কিত কার্যকরী কিছু টিপস।

http://www.computerfreetips.com

কম্পিউটার টিপসের বিশাল এক ভান্ডার এই সাইটটি। কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যা, হার্ডওয়্যার পরিচিতি, হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যারের সমস্য সমাধানে সাইটটি অত্যন- কার্যকর। সাইটটিতে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে কম্পিউটারের টিপসগুলোকে ভাগ করা হয়েছ। PC Buying Tips, Laptop Tips, Windows, Office, Networking, Security Alerts, IT Certification, Database Tips, PC Troubleshooting, System-Tune-Up, Registry, Internet, Cisco Router, Backup, Printing, PC Cleaning, Glossaries, Projector Tips সহ অসংখ্য টিপস। সহজ করে বলা যায় কম্পিউটার ও কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত বিভিন্ন ডিভাইসগুলোর সমস্যা সমাধানের টেকনিকগুলো জানতে সাইটটি আপনাকে দারুণভাবে সহায়তা করবে।

http://www.computerfreetricks.com

সাইটটিতে ক্যাটাগরি অনুযায়ী ট্রিকসগুলো দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে উইন্ডোজ টিপস, নেটওয়ার্কিং টিপসসহ অসংখ্য টিপস। সাইটটিতে পূর্ববর্তী মাসের টিপসগুলোর আর্কাইভও রয়েছে। ফলে যেকোনো ইউজার পূর্ববর্তী টিপসগুলো থেকে তার প্রয়োজনীয় টিপসটি খুঁজে নিতে পারবেন অনায়াসে। এছাড়াও রয়েছে টিউটরিয়াল পেজ। টিউটরিয়াল পেজগুলোতে কোনো প্রোগ্রামের বিশেষ একটা মেন্যু বা অপশন সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য রয়েছে।

http://www.computerbiglab.com

নামের সাথে সাইটটির যথেষ্ট মিল রয়েছে বিশেষ করে কম্পিউটারের ট্রিকস এন্ড টিপসের ব্যাপারে। সাইটটিতে হাজার হাজার টিপসের সমারোহ। সাইটটি প্রায়ই Computer Free Tips সাইটটির মত। সাইটটিতে আছে উইন্ডোজ টিপস থেকে শুরু করে অফিস এক্সপি, উইন্ডোজ ট্রিকস, ল্যাপটপ টিপস, হার্ডওয়্যার টিপস, উইন্ডোজ ইন্সটলেশন টিপস, ইন্টারনেট টিপস, রেজিস্ট্রি টিপস, মেনটেনিং পিসি টিপস, মোবাইল টিপস, কম্পিউটার সিকিউরিটি টিপস, স্ক্যানিং টিপস এবং ব্যাকআপ টিপস সহ নানাবিধ কার্যকর টিপস। নেটওয়ার্কিং টিপস অপশনটিতে নেটওয়ার্ক ইক্যুইপমেন্টস, ক্যাবলিং বেসিকস, লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্কিং, ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্কিং-এর উপর বেসিক টিপস এবং বিভিন্ন প্রটোকল সমূহের ধারণা রয়েছে।

http://freepctech.com/pc/xp/xpindex.shtml

সাইটটিতে উইন্ডোজ এক্সপি সংক্রান- যাবতীয় সব ট্রিকস পাওয়া যায়। এক কথায় উইন্ডোজ এক্সপির মোটামুটি প্রায় সব সমস্যার সমাধান রয়েছে সাইটটিতে। উইন্ডোজ এক্সপির পুরানো বিভিন্ন ডিভাইস ড্রাইভার ইন্সটলেশনের সময় যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা থেকে পরিত্রাণ পেতে কিছু টিপস দেয়া রয়েছে সাইটটিতে।

http://www.mstipsandtricks.com

সাইটটিতে মাইক্রোসফট অফিসের নিত্যনতুন সব টিপস সংযোজিত রয়েছে। মাইক্রোসফট অফিসের ৯৭ ভার্সন থেকে শুরু করে মাইক্রোসফট অফিসের সর্বশেষ ভার্সনের নানাবিধ টিপস রয়েছে। মাইক্রোসফট অফিস সংক্রান্ত যেকোনো টিপস এন্ড ট্রিকস-এর জন্য সাইটটির সহায়তা নিতে পারেন। মাইক্রোসফট ওয়ার্ড, মাইক্রোসফ্ট এক্সেল, পাওয়ার পয়েন্ট, একসেস, মাইক্রোসফট আউটলুক-এর শটকার্ট কীসহ ছোটখাটো অনেক টিপস রয়েছে সাইটটিতে। সাইটটিতে অফিস প্যাকেজ প্রোগ্রামের প্রায় প্রতিটির শটকার্ট কী দেয়া রয়েছে।

http://www.allpctips.com

নাম দেখেই সহজেই বুঝে নিতে পারেন সাইটটিতে কম্পিউটারের বিভিন্ন সমস্যা সমাধানের উপায় ও কৌশল সম্পর্কে তথ্য রয়েছে। সাইটটির ডিজাইন দেখতে সুন্দর না হলেও মোটামুটিভাবে সাইটটিতে কার্যকরী কিছু টিপস রয়েছে। সাইটটির হোম পেজে গুরুত্বপূর্ণ ২০-২৫টি টিপস রয়েছে। এছাড়াও অন্যান্য ওয়েবসাইটের মত সাইটটির টিপসগুলোকে ক্যাটাগরি অনুযায়ী বিভক্ত করা হয়েছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে Software, Hardware, Internet, Technology, Windows, Email, Security & Wireless Tips ।

http://www.computertips.com

সাইটটিতে Windows System Tips, Microsoft Tips I Internet Tips এ তিনটি ক্যাটাগরিতে টিপসগুলো সাজানো রয়েছে। উইন্ডোজ সিস্টেম টিপসটিতে মূলতঃ Windows 98 Tips, Windows 95 Tips Ges Windows NT 4.0 Tips -এর গুরুত্বপূর্ণ, খুঁটিনাটি ও প্রয়োজনীয় অনেকগুলো টিপস রয়েছে।

http://www.onlinecomputertips.com

সাইটটিতে বিভিন্ন হার্ডওয়্যার টার্মস, নেটওয়ার্কিং টার্মস ও ভাইরাস টার্মসসহ বেশকিছু টার্মস সম্পর্কে বর্ণনা দেওয়া রয়েছে।





source:

সহজে ওয়েব সাইট তৈরি করার কিছু ওয়েব সাইট।



Weebly এটাও একটি ভালো সাইট যা থেকে আপনি সহজেই বানাতে পারবেন
আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ এরা মুলত ব্লগসাইট বানানোর জন্যই।

এখান থেকে যেসব বিষেশ জিনিষ আপনি করতে পারবেন

*ফ্রি ওয়েব সাইট অথবা ব্লগ সাইট
*পছন্দ মত সহজেই আপনার সাইটের টেম্প্লেট বেছে নিতে পারবেন
*ড্রাগ এবং ড্রপ করেই অন্য কন্টেন বসাতে পারবেন যেমন গুগলে ম্যাপ,গেজেট ইত্যাদি
*ডোমেইন ট্রানসফার করতে পারবেন অথবা নতুন ডোমেইন কিনতে পারবেন।

এখান থেকে সাইট বানাতে চাইলে এখুনি শুরু করতে পারেন
http://www.weebly.com/



আর একটি সাইট freeweb এদের দ্বারা ও খুব সুন্দর করে ওয়েব সাইট
বানানো যায়।

এদের এ্যড টু মাই সাইট থেকে আপনি নতুন পেজ বানানো
পেজ ডিলিট করা গেস্টবুক যোগ করা এসব করতে পারবেন
তারপর এরা আপনাকে দিবে ৩০০ এর বেশি টেম্প্লেট পছন্দ করার শুভিধা
যেটা আপনার পছন্দ সেটা ব্যবহার করতে পারবেন...

পেজ এডিটর: এখান থেকে আপনি কোন কন্টেন্ট কোথায় বসাবেন তা বিবেচনা করে বসাতে পারবেন।

ফাইল মেনেজার :এখান থেকে ছবি ভিডিও সফটওয়ার আপলোড করে
আপনার সাইটে দিতে পারবেন।

এখান থেকে ওয়েব সাইট বানাতে চাইলে এই লিংকে যেতে হবে
http://newaccounts.freewebs.com/index.jsp



webnode এখান থেকে ও অনেক সহজে সাইট বানানো যায়
এবং অনেক গুলা সাইট বানানোর সাইট ঘুরে আসার পর এটাই আমার কাছে
সবচেয়ে প্রিয়।

এখান থেকে যেসব বিষেশ জিনিষ আপনি করতে পারবেন

*ফ্রি ওয়েব সাইট
*ড্রাগ এবং ড্রপ টেকনলজি
* গেজেট এবং উইজেট বসাতে পারবেন যেমন: ক্রিকেট লাইভ স্কোর
*বুকমার্ক এবং ট্যগিং
*একসাথে অনেক গুলা ফাইল আপলোড
*ডোমেইন ট্রানসফার করতে পারবেন অথবা নতুন ডোমেইন কিনতে পারবেন।
*প্রায় ৪০ টা বেশি টেম্প্লেট
*নিজের বানানো টেম্প্লেট ইম্পোর্ট
*সিএসএস অথবা এইচটিএমএল এডিট করতে পারবেন
*ওয়েব সাইট সেটিস্টিক মানে আপনার সাইটে কয়জন ভিটিট করেছে কোথা থেকে করেছে এসব।

এই সাইটের আরো কয়েকটি চমৎকার জিনিষ হলো এখানে
আর্টিকেল,ফোরাম,পোল,ই কমার্স ইত্যাদি এসব এ্যড করতে পারবেন সহজেই।

দেরি না করে এখুনি বানানো শুরু করতে পারেন আপনার সাইট
http://webnode.com/



Synthasite এটা থেকেও আপনি বানাতে পারবেন আপনার সাইট এটার ফিচার আর সব কিছুই প্রায় ওয়েবনোড এর মত তাই আর কিছু লিখলাম না।

http://www.synthasite.com/



Bravenet এখান থেকে ও আপনারা সুন্দর করে ও সহজে সাইট বানাতে পারবেন
এরা দিচ্ছে ৬০০ গিগাবাইট ব্যনডউইথ ৩০ গিগাবাইট ডিস্কস্পেস ফ্রি টেম্প্লেট আরো অনেক কিছু।

আর কিছু ওয়েব টুল ও আপনার সাইটে বসাতে পারবেন যেমন: গেস্টবুক,হিট কাউন্টার, ওয়েব পোল,হেডলাইন নিউজ ইত্যাদি।

এখুনি ঘুরে আসতে পারেন
http://www.bravenet.com/



page.tl এদের কথায় আপনি মাত্র তিন মিনিটেই আপনার সাইট তৈরি করতে পারবেন
এবং কোন প্রোগরামিং নলেজ লাগবে না ভালো টেম্পলেট আছে ফ্রি গেস্টবুক ও ভিজিটর ম্যাপ কিন্তু আমার কাছে এই সাইট টা তেমন ভালো লাগে নাই।

ঘুরে আসতে পারেন
http://page.tl/

৩ টি ফ্রি হোস্টিং সাইট..
http://www.987mb.com/
http://www.hostsnake.com/
http://www.zymic.com/

এই তিনটায় কাজ করতে হলে প্রোগরামিং ধারনা লাগবে।

আমার দেখা সেরা ফ্রি ডোমেইন সাইট...
http://www.co.cc/

আর একটি কথা আপনাদের বলি যারা যেকোন সাইট বানানোর সাইট থেকে সাইট বানাতে চান আগেই তাদের FAQ ও TOS ভালো করে পড়ে নিবেন কারন কিছু সাইট আছে যারা ৩০ দিনের ট্রায়াল ওয়েব সাইট বানাতে দেয় দেখা গেল আপনি খুব আশা করে আস্তে আস্তে আপনার সাইটে কে সুন্দর করে গড়ে তুললেন তারপর ত্রিশ দিন পর বললো টাকা দেন না হলে আপনার সাইট বন্ধ হয়ে যাবে যেমন একটি সাইট http://www.spruz.com/ এরা ৩০ দিনের ট্রায়াল দেয় ৩০ দিন হয়ে গেলে টাকা না দিলে সাইট বন্ধ করে দেয় তো সবাই এ ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন।

Onlineএ ৫০গিবা data store করুন একদম ‍‍Free


Harddisk crash অথবা ডাটা হারয়ি যাবার মতো ভয়ংকর অভিজ্ঞতা কমবে‍শ সবারই আছে। যদি এমনহ‍‍তো অনলাইনে আপনি গুরুত্বপূণ data storeত পারছনে একদম ‍‍‍Free. আর আমাদের এই চাওটায় পূরণ করছে Adrive.com .
আমার নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বলছি Adrive.com অনলাইনে ফাইল স্টোর এবং শেয়ারিংয়ের জন্য দারুন একটা সাইট। Adrive.comএ তিন ধরনের মেম্বারশীপ অফার করে। এরমধ্যে Basic membership এর মাধ্যমেই আপনি ফ্রি ৫০ গিগা বাইট স্পেস পাবেন ফ্রি ডাটা স্টোরের জন্য। আপনি আপনার পিসিতে যেমন বিভিন্ন ড্রাইভে বিভিন্ন ফোল্ডারে আপনার ফাইলগুলো সাজিয়ে রাখতে পারেন। এখানেও সেই একই সুবিধা পাবেন। প্রয়োজনে ফাইল স্থানান্তর এমনকি এডিট করবার সুবিধাও পাবেন।
আর যারা Premium user হবেন তারা file transfer protocol (FTP), file history recovery, SSL encryption, WebDAV, multiple concurrent sessionsএর মতো সুবিধাও ভোগ করতে পারবেন। তবে এরজন্য আপনাকে premium size plan অনুযায়ী monthly @ $13.95+ pay করতে হবে।
আমার মতে শুধু ডাটা স্টোরের জন্য Basic account ই যথেষ্ট। ৫০গিবাই প্রয়োজন না মিটলে দরকার হলে আরেকটা Basic account sign up করলেই হয়।
adrive.com এর নতুন সার্ভিস adrive.com Forum এ আপনি adrive.com সম্পর্কে আলোচনা এবং প্রয়োজনীয় টেকনিকাল সাপোর্ট পেতে পারেন।
তো আগ্রহী বন্ধুরা আজই Adrive.com এ ৫০গিবা ফ্রি পেতে এখানে ক্লিক করুন

Monday, April 26, 2010

একই ধরনের ওয়েসবাইট খুঁজে বের করুন সহজে

altঅনেক সময় কোন একটা বিষয়ের উপর একাধিক ওয়েবসাইট ঘাঁটাঘাঁটি করার দরকার হয়। কারণ সবকিছু হয়ত একই ওয়েবসাইট থেকে না ও পাওয়া যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আমরা সার্চ ইঞ্জিনের সাহায্য নিই। কিন্তু সঠিক কি লিখে সার্চ দিতে না পারলে সব সময় সঠিক রেজাল্ট আসে না। ফলে নতুন ব্যবহারকারীদের একটু সমস্যা হয়ে যায় দরকারী খুঁজে পেতে। একই ধরনের বিষয়বস্তু সমৃদ্ধ ওয়েসবাইট খুঁজে বের করার এই কাজকে অনেক সহজ করে দিয়েছে SimilarWeb। এটি Mozilla Firefox এর একটি Add-on। এই Add-on টি ইনস্টল করার পর আপনার ব্রাউজারের বামপাশে একটা সাইডবার দেখতে পাবেন। যখনই আপনি কোন ওয়েবসাইট ভিজিট করবেন সেই ওয়েবসাইটের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ন সাইটগুলোর থাম্বনেইল এই সাইডবারে দেখা যাবে। Add-on ডাউনলোড করুন এই লিংক থেকে। ডাউনলোড লিংকে ক্লিক করার পর এড্রেসবারের নিচে একটা মেসেজ আসবে সেখানে Allow বাটনে ক্লিক করুন। এরপর ফায়ার ফক্সের Add-ons ইনস্টলারটা দেখা যাবে সেখানে Install Now বাটনে ক্লিক করুন। ইনস্টল হয়ে গেলে ফায়ারফক্স একবার রিস্টার্ট করুন। ব্যাস আপনার কাজ শেষ।

কোন প্রকার সফটওয়্যার ছাড়াই, ব্যাচ ফাইলের সাহায্যে অতিসহজে অপ্রয়েজনীয় ফাইল পরিষ্কার করুন!!

কম্পিউটারে কাজ সম্পাদন করা হলে বিভিন্ন ধরনের অসংখ্য অপ্রয়োজনীয় ফাইল তৈরী হয়। এই ফাইলগুলো কোন কাজে আসে না বরং কম্পিউটারকে ধীরগতি সম্পন্ন করে। ফাইলগুলো নিম্নরূপ-
১. %Temp%
২. Recent
৩. History
৪. Temporary
৫. Microsoft Office Recent
৬. Temporary Internet Files
৭. system32\1054
৮. prefect
৯. Cookies
১০. Offline Web Pages
১১. system32\wbem\Logs etc.

এই ফাইলগুলো পরিষ্কার করতে আমরা বিভিন্ন ধরনের সফটওয়্যার ব্যবহার করি। তাছাড়া %Temp%, Temp , Recent, prefect, Cookies প্রভৃতি পরিষ্কার করতে রানে গিয়ে এগুলো লিখে এন্টার চেপে সিলেক্ট করে ডিলেট করি। আপনি চাইলে একটি ব্যাচ ফাইল তৈরী করে উপরোক্ত ফাইলগুলো অতিসহজে মুছে ফেলতে পারেন। আর কথা না বাড়িয়ে আসুন নোটপ্যাডে একটি ব্যাচ ফাইল তৈরী করি এবং ডাবল ক্লীক করে সব অপ্রয়োজনীয় ফাইল মুছে দেই।

প্রক্রিয়াটি নিম্নরুপ-
১) start > All Programs > Accessories > Notepad ওপেন করুন।
২) Notepad-এ নিচের লেখাগুলো কপি-পেষ্ট করুন। নোটপ্যাড এ কোডটি পেস্ট করার পর অবশ্যই প্রতিটি ডাবল ইনভারটেড কমা মুছে আবার কী-বোর্ড থেকে ডাবল ইনভারটেড কমা টাইপ করে দিতে হবে।

source:http://cae.com.bd

কম্পিউটার লগ আউট, শার্টডাউন, রিষ্টার্ট করুন নিদিষ্ট সময় পর

কম্পিউটার লগ আউট, শার্টডাউন, রিষ্টার্ট নিদিষ্ট সময় পর করতে নিম্নের ধাপগুলো অবলম্বন করুন:
১. ডেক্সটপে রাইট বাটন ক্লিক করে new - shortcut এ ক্লিক করুন।
২. Type the location of the item: বক্সে টাইপ করুন shutdown -l -t 1 তারপর next বাটনে ক্লিক করুন।
৩. Shortcut name টাইপ করুন।
৪. Finish দিন।

এখানে উল্লেখ্য উপরোক্ত কমান্ডটিতে -l হল লগআউটের জন্য , শার্টডাউন এর জন্য -s , রিষ্টার্ট এর জন্য -r টাইপ করুন। একটু খেয়াল করুন -t ব্যবহৃত হয়েছে সময় নির্ধারনের জন্য এখানে 1 মানে এক সেকেন্ড যা আপনি বর্ধিত করতে পারবেন। এবার তৈরীকৃত Shortcut এ ডাবলক্লিক করামাত্রই আপনার কাঙ্খিত ফল পাবেন।

সূত্র

সিস্টেম শাটডাউন যন্ত্রণা থেকে মুক্তি নিন




অনেক সময় কম্পিউটারে হটাৎ করে মেসেজ আসে "This system is shutting down. Please save all wpor in progress...."। এবং একটা সেকেন্ডের Countdown আসে যা 00 হবার পর কম্পিউটার শাটডাউন হয়ে যায়। এটা অনেক কারনে হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম কারন হল virus। এই সব virus সিস্টেম৩২ এর ফাইল গুলিকে করাপ্ট করে দেয়। ফলে মাঝে মাঝে এই সব মেসেজ আসে। তাই আজকে আমি আপনাদের জানাব কি ভাবে এই মেসেজটি বন্ধ করে পিসিকে শাটডাউনের হাত থেকে রক্ষা করবেন। খুব সহজে আপনি এটা করতে পারেন। আপনাকে যা করতে হবে:- Start Menu -> Run এ গিয়ে Shutdown -a লিখে এন্টার দিন। দেখবেন মূহুর্তের মধ্যে মেসেজটি চলে যাবে।

সূত্র

বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking সফটওয়্যার।

আমি আপনাদের কিছু Hacking এবং Cracking সফটওয়্যার দিব। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনি সইজেই কোন সফটওয়্যার Crack বা ব্যক্তিগত কারও প্রোফাইল Hack করতে পারবেন। এসব সফটওয়্যার দিয়ে আপনি একদিকে অন্যের উপকার অথবা আপকার করতে পারেন। সে চিন্তা আপনার বিবেকের কাছে রইলো। এই পৃথিবীর প্রতিটি বিষয়ের ভাল মন্দ দিক রয়েছে। একজন ডাক্তার চাকু দিয়ে যেমন রোগীকে সুস্থ করেন আবার অন্যদিকে একজন আপরাধী সেই চাকু দিয়ে অসৎ ভাবে মানুষের অপকার করে। এখানে কেবল মাত্র ব্যক্তির অবস্থান পরিবর্তন হয়েছে। তবে এ কথা সত্য যে অপরাধের বিচার একদিন হবেই, হোক সেটা ইহকালে বা পরকালে। আমার এই টিউটির উদ্দেশ্য আপনাদের উপকার করা, তবে কোন ভাবে যদি কেউ এর আপব্যবহার করে তবে ভবিষৎতে এর থেকে ১০০গুন উন্নত মানের হ্যাকিং টিউন আমি আর করবো না।

PDF Password Remover

@lmas 1

Windows XP Admin Password Remover

 বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

Zip File Password Cracker

@lmas 3

Microsoft Office Password Remover

 বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

Windows Vista Admin Password Recovery

@lmas 5

RAR File Password Cracker

@lmas 6

EXE File Password Recovery

@lmas 7

Windows 7 Password Cracker

@lmas 8

MSN Password Recovery

@lmas 9

Mozilla Firefox Password Cracker

@lmas 10
(সময় সল্পতার কারনে ১০টি সফটওয়্যারের নাম ও ছবি দিলাম।)
dyktqq বিশ্বের সেরা ১৫টি পাসওয়ার্ট Hacking এবং Cracking  সফটওয়্যার। ( মেগা টিউন ) | Techtunes

http://techtunes.com.bd/hacking/tune-id/21769/

নিয়ন্ত্রণ করুন যেকোন ড্রাইভে প্রবেশাধিকার

আপনি যদি ব্যবহারকারীকে ড্রাইভে প্রবেশ থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত রাখতে চান, তাহলে আপনাকে নিচে বর্ণিত পদ্ধতি অনুসরন করতে হবে।

প্রথমে Start > Run এ গিয়ে REGEDIT টাইপ করে এন্টার দিয়ে রেজিস্ট্রি এডিটর ওপেন করুন। এরপর রেজিস্ট্রি এডিটর থেকে HKEY_CURRENT_USER\Software\Microsoft\Windows\CurrentVersion\Policies\Explorer ওপেন করুন। এখানে Explorer কীর ডান পার্শ্বস্থ প্যানেলে NoViewOnDrive নামে নতুন একটি DWORD ভ্যালু (REG_DWORD) তৈরি করে এর উপর ডাবল ক্লিক করে এটি ওপেন করুন এবং নিচে বর্ণিত নিয়মানুযায়ী উপযুক্ত মান প্রবেশ করান। এরপর এডিটর বন্ধ করে ফিরে এসে কম্পিউটার লগ অফ অথবা রিস্টার্ট করুন। এবার সবগুলো ড্রাইভ দেখা যাবে ঠিকই কিন্তু নিষিদ্ধ ড্রাইভটিতে প্রবেশ করতে গেলেই একটা এরর ম্যাসেজ প্রদর্শিত হবে।

নিয়মটা হল : আপনি যদি সবগুলো ড্রাইভে প্রবেশ নিষিদ্ধ করতে চান তাহলে 67108863 মানটি Decimal ভ্যালু হিসেবে প্রবেশ করান। এছাড়া কোন নির্দিষ্ট ড্রাইভ নিষিদ্ধ করতে চাইলে তার জন্য নির্দিষ্ট একটি মান প্রদান করতে হবে। যেমন A এর জন্য 1, B এর জন্য 2, C এর জন্য 4, D এর জন্য 8, E এর জন্য জন্য 16 এভাবে প্রতিটি ড্রাইভ লেটারের জন্য এই মান দ্বিগুণ হতে থাকবে। এই হিসেবে Z এর জন্য মান হবে 33554432.

আপনি যদি দুই বা ততোধিক নির্দিষ্ট সংখ্যক ড্রাইভকে একসাথে নিষিদ্ধ করতে চান, তাহলে আপনাকে সেই ড্রাইভগুলোর মানসমূহের যোগফল ব্যবহার করতে হবে। যেমন আপনি যদি D এবং G ড্রাইভ দুটোকে নিষিদ্ধ করতে চান, তাহলে আপনাকে D এর মান 8 এবং G এর মান 64 এর যোগফল 72 NoDrives এ প্রবেশ করাতে হবে।
সূত্র

Wednesday, April 21, 2010

রান কমান্ডের যত ব্যবহার (Run Command)

কোন প্রোগ্রামকে সহজে চালু করতে রানে (Start+R চেপে) গিয়ে উক্ত প্রোগ্রামের সংক্ষিপ্ত রূপ লিখে ওকে করলেই সেই প্রোগাম চালু হয়। run.jpgযদিও বেশিরভাগ প্রোগ্রামই সরাসরি চালু করা যায়। নিচে দরকারি বেশ কিছু রান কামন্ডের (উইন্ডোজ এক্সপি) সংক্ষিপ্ত সংকেত দেওয়া হলো।
একসেসিবিলিটি কন্ট্রোলস - access.cpl
একসেসিবিলিটি উইজার্ড - accwiz
এড হার্ডওয়্যার উইজার্ড - hdwwiz.cpl
এড/রিমুভ প্রোগ্রামস - appwiz.cpl
এডমিনিষ্ট্রিটিভ টুলস - control admintools
অটোমেটিকস আপডেট - wuaucpl.cpl
ব্লু-টুথ ফাইল ট্রান্সেফার উইজার্ড - fsquirt
ক্যালকুলেটর - calc
সার্টিফিকেটস - certmgr.msc
ক্যারেকটার ম্যাপ - charmap
চেক ডিক্স (ডস) - chkdsk
ক্লিপবোর্ড ভিউয়ার - clipbrd
কমান্ড প্রোম্পট - cmd
কম্পোনেন্ট সার্ভিস - dcomcnfg
কম্পিউটার ম্যানেজমেন্ট - compmgmt.msc
কন্ট্রোল প্যানেল - control
ইউজার একাউন্টস - control userpasswords2
ডেট এন্ড টাইমস - timedate.cpl
ডি.ডি.ই শেয়ার্স - ddeshare
ডিভাইস ম্যানেজার - devmgmt.msc
ডাইরেক্ট এক্স - dxdiag
ডিক্স ক্লিনআপ - cleanmgr
ডিক্স ডিফ্রাগমেন্ট - dfrg.msc
ডিক্স ম্যানেজমেন্ট - diskmgmt.msc
ডিক্স পার্টিশন ম্যানেজার - diskpart
ডিসপ্লে প্রোপার্টিস - control desktop
ডিসপ্লে প্রোপার্টিস - desk.cpl
ড: ওয়াটসন ফর উইন্ডোজ - drwtsn32
ড্রাইভার ভেরিফায়ার ম্যানেজার - verifier
ইভেন্ট ভিউয়ার-eventvwr.msc
ফাইল এন্ড সেটিংস ট্রান্সেফার টুল - migwiz
ফাইল সিগ্নেচার ভেরিফিকেশন টুল - sigverif
ফাইন্ড ফার্ষ্ট findfast.cpl
ফোল্ডার প্রোপার্টিস - control folders
ফন্টস - control fonts
ফন্টস ফোল্ডার - fonts
গেম কন্ট্রোলারস - joy.cpl
গ্রুপ পলিসি এডিটর - gpedit.msc
হেল্প এন্ড সাপোর্ট - helpctr
হাইপারটার্মিনাল - hypertrm
আই.এক্সপ্রেস উইজার্ড - iexpress
ইনডেক্সসিং সার্ভিস - ciadv.msc
ইন্টারনেট কানেক্‌শন উইজার্ড - icwconn1
ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার - iexplore
ইন্টারনেট প্রোপার্টিস - inetcpl.cpl
কীবোর্ড প্রোপার্টিস - control keyboard
লোকাল সিকিউরিটি সেটিংস - secpol.msc
লোকাল ইউজারস এন্ড গ্রুপস - lusrmgr.msc
উইন্ডোজ লগঅফ - logoff
মাইক্রোসফট চ্যাট - winchat
মাইক্রোসফট মুভি মেকার - moviemk
এমএস পেইন্ট - mspaint
মাইক্রোসফট সিনক্রোনাইজেশন টুল - mobsync
মাউস প্রোপার্টিস -control mouse
মাউস প্রোপার্টিস - main.cpl
নেট মিটিং - conf
নেটওয়ার্ক কানেকশনস - control netconnections
নেটওয়ার্ক কানেকশনস - ncpa.cpl
নেটওয়ার্ক সেটআপ উইজার্ড - netsetup.cpl
নোটপ্যাড - notepad
অবজেক্ট পেজ মেকার - packager
ওডিবিসি ডাটা সোর্স এডমিনিস্ট্রেটর - odbccp32.cpl
অন স্ক্রিন কীবোর্ড - osk
আউটলুক এক্সপ্রেস - msimn
এমএস পেইন্ট - pbrush
পাসওয়ার্ড প্রোপার্টিস - password.cpl
পারফরমেন্স মনিটর - perfmon.msc
পারফরমেন্স মনিটর - perfmon
ফোন এন্ড মডেম অপশনস - telephon.cpl
ফোন ডায়ালার - dialer
পাওয়ার কনফিগারেশন - powercfg.cpl
প্রিন্টারস এন্ড ফ্যাক্স - control printers
প্রিন্টারস ফোল্ডার - printers
রিজিউনাল সেটিংস - intl.cpl
রেজিষ্ট্রি এডিটর - regedit
রেজিষ্ট্রি এডিটর - regedit32
রিমোট একসেস ফোনবুক - rasphone
রিমোট ডেক্সটপ - mstsc
রিমুভাল স্টোরেজ - ntmsmgr.msc
রিমুভাল স্টোরেজ অপারেটর রিকোয়েষ্ট - ntmsoprq.msc
রেজাল্টেন্ট সেট অপ পলিসি - rsop.msc
স্ক্যানার এন্ড ক্যামেরা - sticpl.cpl
শিডিউল টাস্ক - control schedtasks
সিকিউরিটি সেন্টার - wscui.cpl
সার্ভিসেস - services.msc
শেয়ার্ড ফোল্ডার - fsmgmt.msc
উইন্ডোজ শার্ট ডাউন করা - shutdown
সাউন্ডস এন্ড অডিও - mmsys.cpl
সিস্টেম কনফিগারেশন এডিটর - sysedit
সিস্টেম কনফিগারেশন ইউটিলিটি - msconfig
সিস্টেম ইনফোমেশন - msinfo32
সিস্টেম প্রোপার্টিস - sysdm.cpl
টাস্ক ম্যানেজার - taskmgr
টিসিপি টেষ্টার - tcptest
টেলনেট ক্লাইন্ট - telnet
ইউজার একাউন্ট ম্যানেজার - nusrmgr.cpl
ইউটিলিটি ম্যানেজার - utilman
উইন্ডোজ এড্রেস বুক - wab
উইন্ডোজ এড্রেস বুক ইমপোর্ট ইউটিলিটি - wabmig
উইন্ডোজ এক্সপ্লোরার - explorer
উইন্ডোজ ফায়ারওয়াল - firewall.cpl
উইন্ডোজ ম্যাগনিফায়ার - magnify
উইন্ডোজ ম্যানেজমেন্ট - wmimgmt.msc
উইন্ডোজ মিডিয়া প্লেয়ার - wmplayer
উইন্ডোজ ম্যাসেঞ্জার - msmsgs
উইন্ডোজ সিস্টেম সিকিউরিটি টুলস - syskey
আপডেট লাঞ্চ - wupdmgr
উইন্ডোজ ভার্সন - winver
উইন্ডোজ এক্সপি টুর - tourstart
ওয়ার্ড প্যাড - write

উইন্ডোকে সচ্ছ করুন

কম্পিউটারের সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে মাল্টিটাস্ক। এর ফলে কম্পিউটার এক সাথে একাধিক প্রোগ্রাম/এ্যাপলিকেশন নিয়ে কাজ করা য়ায়। কিন্তু একাধিক প্রোগ্রাম বা ফোল্ডারে উইন্ডো খোলা থাকলে নিচের উইন্ডোটি বা ডেক্সটপ দেখা যায় না। কোন উইন্ডো যদি সচ্ছ (ট্রান্সপারেনিন্স) হতো তাহলে সহজেই নিচের উইন্ডো বা ডেক্সটপ দেখা যেত। আপনি চাইলে এমনই বৈচিত্র আনতে পারেন। গ্লাস২কে নামের মাত্র ৫৬ কিলোবাইটের একটি সফটওয়্যারের সাহায়্যে এমনটি করা য়ায়। http://chime.tv/products/glass2k/Glass2k.exe লিংক থেকে আপনি সফটওয়্যারটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করে নিন। এবার সফটওয়্যারটি চালু করুন, তাহলে টাস্কবারে সফটওয়্যারের আইকন দেখা যাবে। এবার যে উইন্ডোকে সচ্ছ করতে চান সেই উইন্ডোর উপরে মাউসের ডান বাটন ক্লিক করলে একটি মেনু আসবে যেখানে যে সংখ্যার উপরে ক্লিক করেলে শতকরা কত ভাগ গ্লাস হিসাবে দেখতে চাচ্ছেন সেই হিসাবে সচ্ছ হবে। আপনি চাইলে সেটিং থেকে আনুসঙ্গিক কিছু পরিবর্তন করে নিতে পারেন।

source 

Wednesday, April 14, 2010

ছবি রুপান্তর করুন ভিসিডিতে

আপনার গুরুত্বপূর্ন ছবিগুলো চাইলে ভিসিডিতে রুপান্তর করতে পারেন।এতে আপনি এমপ্রিথ্রি গানও শুনতে পারবেন পাশাপাশি টিভির পর্দায় ছবিগুলো দেখতে পারবেন।ছবি থেকে ভিসিডি করতে হলে প্রথমে আপনাকে এই লিংক থেকে প্রোগ্রামটি ডাউনলোড করে ইনষ্টল করতে হবে।ইনষ্টল হলে এবার একটু চেষ্টা করে দেখুন আপনি নিজে নিজেই আপনার ছবিগুলো স্লাইডশো হিসেবে ভিসিডিতে রেকর্ড করতে পারবেন।
http://www.brothersoft.com/photo2vcd-13772.html


source:http://biggani.com/content/view/969/112/ 

Saturday, March 27, 2010

গ্রাফিক্স কার্ডের টুকিটাকি



গ্রাফিক্স কার্ড কয়েক নামে পরিচিত, যেমন - ভিডিও কার্ড, ডিসপ্লে কার্ড, গ্রাফিক্স এক্সেলারেটর কার্ড৷ গ্রাফিক্স কার্ডের কাজ কোনো ছবিকে জেনারেট করা এবং তা আউটপুট ইমেজ আকারে মনিটরে প্রদর্শন করা৷ গ্রাফিক্স কার্ড যে শুধু গেমারদের জন্য বেশি প্রয়োজনীয় তা ঠিক নয়৷ গ্রাফিক্স ডিজাইনিংয়ের ক্ষেত্রে, হাই ডেফিনেশন ভিডিও দেখার জন্য এবং ভিডিও কোয়ালিটি ভালো করার জন্যও গ্রাফিক্স কার্ডের ব্যবহার হয়৷ এমনকি গ্রাফিক্স কার্ড উইন্ডোজ ভিসতার কাজ করার দক্ষতা ও সৌন্দর্যবর্ধনে খুবই সহায়ক৷ নতুন গ্রাফিক্স কার্ডগুলো আরো কিছু চমত্কার সুযোগসুবিধা দেয়, যেমন- ভিডিও ক্যাপচারিং, টিভি টিউনার এডাপ্টার, MPEG-2 ও MPEG -4 ডিকোডিং৷ এছাড়াও ফায়ারওয়্যার, মাউস, লাইট পেন, জয়স্টিক যুক্ত করার পোর্ট এমনকি দুইটি মনিটরে কানেকশন দেয়ার সুবিধাও দিয়ে থাকে এসব গ্রাফিক্স কার্ড৷

গ্রাফিক্স কার্ডের কার্যপদ্ধতি

আমরা যে ইমেজ মনিটরে দেখি তা খুবই ছোট ছোট কণার সমন্বয়ে গঠিত যা পিক্সেল নামে পরিচিত৷ যেকোনো একটি সাধারণ রেজ্যুলেশন সেটিংয়ে এক মিলিয়নেরও বেশি পিক্সেল থাকে এবং কমপিউটার প্রতিটি পিক্সেল অনুযায়ী ইমেজটি সৃষ্টি করে থাকে৷ এই কাজটি সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজন হয় একটি অনুবাদক বা ট্রান্সলেটরের৷ অনুবাদকের কাজ হচ্ছে সিপিইউ থেকে বাইনারি ডাটা নিয়ে তা ছবিতে রূপান্তর করা যাতে আমরা তা দেখতে পারি৷ অনুবাদকের এই কাজটি সম্পন্ন করে গ্রাফিক্স কার্ড৷ গ্রাফিক্স কার্ডের কাজ করার প্রক্রিয়া জটিল কিন্তু এর অন্যান্য বিষয় এবং অংশগুলো সহজেই বোধোগম্য৷

গ্রাফিক্স কার্ডের অংশ

গ্রাফিক্স কার্ডে একটি প্রিন্টেড সার্কিট বোর্ডের উপরে এর প্রয়োজনীয় অংশগুলো বসানো থাকে৷ এগুলো হচ্ছে :

১. গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট (GPU) :

একটি গ্রাফিক্স কার্ডের গ্রাফিক্স প্রসেসিং ইউনিট হচ্ছে একটি গ্রাফিক্স মাইক্রোপ্রসেসর, যা ফ্লোটিং পয়েন্ট গণনা করে৷ এটি 3D গ্রাফিক্স রেন্ডারিংয়ের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ৷ জিপিইউয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এর ক্লক রেট৷ সাধারণত বর্তমানের গ্রাফিক্স কার্ডগুলোর ক্লক রেট ২৫০ মে. হা. থেকে ১২০০ মে.হা. পর্যন্ত হয়ে থাকে৷

২.ভিডিও মেমরি :

সাধারণত যখন গ্রাফিক্স কার্ড মাদারবোর্ডের সাথে ইন্ট্রিগ্রেটেড থাকে তখন ৠাম থেকে মেমরি শেয়ার করার প্রয়োজন পরে, কিন্তু যদি মাদারবোর্ডের সাথে ইন্ট্রিগ্রেটেড না হয় তবে গ্রাফিক্স কার্ডের নিজস্ব ভিডিও মেমরি ব্যবহার করে থাকে৷ যখন জিপিইউ কোনো ছবি তৈরি করে তখন ছবি তৈরির প্রয়োজনীয় তথ্যগুলো (যেমন- প্রতিটি পিক্সেলের মান, রং এবং স্ক্রিনে পিক্সেলের অবস্থান ইত্যাদি) কোথাও না কোথাও রাখার প্রয়োজন পড়ে৷ তখন ভিডিও মেমরির একটি অংশ ফ্রেম বাফার হিসেবে কাজ করে৷ এর মানে হলো মূল ছবিটি স্ক্রিনে প্রদর্শিত হওয়ার আগ পর্যন্ত সব তথ্য এটি ধারণ করে৷ ২০০৩ সাল পর্যন্ত গ্রাফিক্স কার্ডগুলোর ভিডিও মেমরি ডিডিআর প্রযুক্তিতে বানানো হতো৷ বর্তমানে ডিডিআর-২, জিডিডিআর-৩, এমনকি জিডিডিআর-৪ প্রযুক্তিতেও বানানো হচ্ছে৷ এর ফলে গ্রাফিক্স কার্ডের ক্লক রেটের মান অনেক গুণে বেড়েছে৷



নিচে বিভিন্ন মেমরির ক্লক রেট ও ব্যান্ডউইডথ উল্লেখ করা হলো পার্থক্য বুঝানোর সুবিধার্থে :

৩. ভিডিও বায়োস :

ভিডিও বায়োস ফার্মওয়্যার চিপ নামেও পরিচিত৷ এই চিপ মূল প্রোগ্রাম ধারণ করে যা ভিডিও কার্ডের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে এবং কমপিউটার ও সফটওয়্যারের মাঝে যোগসূত্র রক্ষা করে৷

৪. RAMDAC :

RAMDAC (Random Access memory Digital to Anolog Converter) দিয়ে ৠানডম এক্সেস মেমরিকে ডিজিটাল থেকে এনালগে রূপান্তর করাকে বুঝায়৷ এটি গ্রাফিক্স কার্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ৷ সিআরটি ডিসপ্লে মনিটরের ক্ষেত্রে রিফ্রেশ রেট ৭৫ হার্টজ হলে তা ভালো হয় কিন্তু যদি তা ৬০ হার্টজ হয় তবে স্ক্রিন হাল্কা কাঁপবে৷ RAMDAC এই রিফ্রেশ রেট নিয়ে কাজ করে৷ LCD ডিসপ্লে মনিটরে RAMDAC অতটা জরুরি নয়৷

৫. আউটপুট :

কমপিউটারের ডিসপ্লের সাথে ভিডিও কার্ডের কয়েকটি উল্লেখযোগ্য সংযোগ ব্যবস্থা হচ্ছে-

SVGA :
এটি সাধারণ সিআরটি মনিটর সংযোগ করার কাজে লাগে৷

DVI :
ডিজিটাল ডিসপ্লেভিত্তিক অর্থাৎ এলসিডি, প্লাজমা স্ক্রিন ও প্রজেক্টর ইত্যাদি সংযোগ দিতে কাজে লাগে৷

S-Video :
এটি দিয়ে ডিভিডি প্লেয়ার, ভিডিও রেকর্ডিং ডিভাইস, ভিডিও গেম কন্সোল ইত্যাদি সংযোগের কাজে ব্যবহার করা হয়৷ এছাড়াও আরো কিছু কানেকশন পোর্ট হলো- কম্পোজিট ভিডিও, কম্পোনেট ভিডিও, এইচডিএমআই, ডিসপ্লে পোর্ট ইত্যাদি৷ ৬. মাদারবোর্ড ইন্টারফেস : গ্রাফিক্স কার্ড মাদারবোর্ডের একটি টের সাথে লাগানো থাকে, এই স্লট কয়েক প্রকার হতে পারে৷ যেমন- ISA, MCA, EISA, VESA, PCI, AGP, PCI Express ইত্যাদি৷ শেষ তিনটি বহুল ব্যবহৃত ট বা বাস৷ নিচে ছকে এদের পার্থক্য দেখা হলো :

৭. তাপ নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা :

গ্রাফিক্স কার্ডের তাপমাত্রা বেড়ে যায় যখন সেটি কাজ করে৷ তাই গ্রাফিক্স কার্ডের কাজ চলাকালীন তাপমাত্রা কমানোর জন্য কিছু ঠাণ্ডাকরণ যন্ত্র বা কুলিং ডিভাইস ব্যবহার করা হয়ে থাকে৷ এগুলো হলো :

হিট সিঙ্ক :

কপার বা অ্যালুমিনিয়ামের তৈরি হিট সিঙ্কটি জিপিইউয়ের তাপমাত্রা কমায় কোনো প্রকার শব্দ না করে৷

কুলিং ফ্যান :

গ্রাফিক্স কার্ডের ওপরে ছোট আকারের ফ্যান ব্যবহার করা হয় তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের জন্য৷ এটি হিট সিঙ্কের চেয়ে বেশি কার্যকর কিন্তু হাল্কা শব্দ করে৷

ওয়াটার ব্লক বা লিকুইড কুলিং :

এক্ষেত্রে জিপিইউ ঠাণ্ডা করতে হিট সিঙ্কের পাশাপাশি তরল পদার্থ ব্যবহার করা হয়৷ এটি সবচেয়ে বেশি কার্যকর গ্রাফিক্স কার্ড ঠাণ্ডা করার ক্ষেত্রে৷

৮. পাওয়ার সাপ্লাই :

গ্রাফিক্স কার্ড যত বেশি শক্তিশালী হবে তার তত বেশি পাওয়ারের প্রয়োজন হবে৷ পিসিআই এক্সপ্রেস পোর্টগুলো সাধারণত ১৫০ ওয়াট পাওয়ার প্রদান করে থাকে৷ নতুন গ্রাফিক্স কার্ডে পাওয়ার কনজাম্পশন টেকনোলজি ব্যবহারের ফলে তা কম বিদ্যুৎ খরচ করে৷

গ্রাফিক্স অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস

দুইটি গুরুত্বপূর্ণ গ্রাফিক্স অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস হচ্ছে- মাইক্রোসফটের ডাইরেক্ট থ্রিডি এবং সিলিকন গ্রাফিক্সের ওপেনজিএল৷ বেশিরভাগ উইন্ডোজভিত্তিক গেমগুলো ডাইরেক্ট থ্রিডি-এর ডাইরেক্টএক্স সাপোর্ট করে৷ ডাইরেক্টএক্সের নতুন ভার্সন হচ্ছে ডাইরেক্টএক্স ১০৷ বাজারের নতুন গ্রাফিক্স কার্ডগুলো ডাইরেক্টএক্স ৯.০সি ও ডাইরেক্টএক্স ১০ সাপোর্ট করে৷

ওপেনজিএল হচ্ছে ফ্রি, ওপেন, মাল্টি-ল্যাঙ্গুয়েজ ও মাল্টি-প্লাটফরম অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামিং ইন্টারফেস৷ এটি ভার্চুয়াল রিয়েলিটি, সায়েন্টিফিক ভিজ্যুয়ালাইজেশন, ফ্লাইট সিম্যুলেশন, কিছু গেম এবং লিনআক্স ও ইউনিক্স অপারেটিং সিস্টেমে ব্যবহার করা হয়৷ এর সর্বশেষ ভার্সন হচ্ছে ওপেনজিএল ২.১৷

গ্রাফিক্স টেকনিক্স

গ্রাফিক্স কার্ডগুলোর গ্রাফিক্স আউটপুট কোয়ালিটি বাড়ানোর জন্য কিছু ইফেক্ট ব্যবহার করা হয়৷ এই টেকনিক বা ইফেক্টগুলো নিচে দেয়া হলো :

এন্টি-এলাইসিং, শেডার, হাই ডাইনামিক রেঞ্জ রেন্ডারিং, টেক্সটচার ম্যাপিং, মোশন ব্লার, ডেপথ অফ ফিল্ড, লেন্স ফ্লেয়ার, ফ্রেসনেল ইফেক্ট, এনিসোট্রপিক ফিল্টারিং, ওভারক্লকিং৷

গ্রাফিক্স কার্ডের গতি সরাসরি এর হার্ডওয়্যারগুলোর ওপর নির্ভরশীল৷ যেসব হার্ডওয়্যার গ্রাফিক্স কার্ডের গতির ওপর প্রভাব বিস্তার করে সেগুলোর নাম ও তাদের পরিমাপের একক নিম্নরূপ :

জিপিইউ ক্লক স্পিড (মেগাহার্টজ),মেমরি বাসের আকার (বিটস),মেমরির পরিমাণ (মেগাবাইট),মেমরি ক্লক রেট (মেগাহার্টজ),মেমরি ব্যান্ডউইডথ (গিগাবাইট/সেকেন্ড), Ramdac -এর গতি (মেগাহার্টজ)৷

ওভারক্লকিং :

গ্রাফিক্স কার্ডের পারফরমেন্স বাড়ানোর জন্য ম্যানুয়ালি এর ক্লক স্পিডের মান বাড়িয়ে দেয়া যায়, একে ওভারক্লকিং বলা হয়৷ মেমরি ওভারক্লকিংয়ের ফলে পারফরমেন্সের উন্নতি হয় ঠিকই কিন্তু এর ফলে জিপিইউর ওপর চাপ পড়ে যা গ্রাফিক্স কার্ডের জন্য ক্ষতিকর৷ ওভার হিটিংয়ের ফলে গ্রাফিক্স কার্ড নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে৷

এন্টিএলাইসিং :

ফুল স্কিন এন্টিএলাইসিং বা FSAA দিয়ে ত্রিমাত্রিক কোনো বস্তুর অসমান ধার বা কোণাগুলোকে মসৃণ করা হয়৷ ইদানিং উচ্চমানের ভিডিও গেমগুলোতে 2X থেকে 8X পর্যন্ত এন্টিএলাইসিং করার অপশন থাকে যাতে গেমের গ্রাফিক্স মসৃণ ও বাস্তব মনে হয়৷ তবে এন্টিএলাইসিং চালু করলে গেমের গতির ওপর সামান্য প্রভাব পড়বে, যদি ভিডিও মেমরি কম হয়৷ গ্রাফিক্স কার্ড কেনার আগে যা যা দেখা উচিত

চিপসেট :

বাজারে দুই ধরনের চিপসেটের গ্রাফিক্স কার্ড পাওয়া যায়৷ তার একটি হলো এনভিডিয়া ও আরেকটি এটিআই৷ কিছু গেম কোম্পানি চিপসেটের ওপর ভিত্তি করে গেম রিলিজ করে৷ এক চিপসেট সাপোর্টেড গেম অন্য চিপসেটে ভালো চলে না৷ তাই চিপসেট নির্বাচন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়৷

কানেকশন পোর্ট :

গ্রাফিক্স কার্ড পোর্ট হিসেবে বহুল ব্যবহৃত দুইটি পোর্টের একটি এজিপি, আরেকটি পিসিআই এক্সপ্রেস৷ এজিপি-এর ডাটা ট্রান্সফারের গতি 8X কিন্তু পিসিআই এক্সপেসের 16X, যা এজিপি-এর দ্বিগুণ৷ তাই দাম বেশি হলেও পিসিআই এক্সপ্রেস ভালো৷ মেমরি : গেমের রেজ্যুলেশন বাড়িয়ে খেলতে যাতে কোনো সমস্যা না হয় সেজন্য বেশি মেমরিযুক্ত ভিডিও কার্ড কেনা উচিত৷ ১২৮ মেগাবাইট মেমরির গ্রাফিক্স কার্ডগুলো দিয়ে এখনকার প্রায় সব গেমই ভালো চলে৷ কিন্তু যারা আরো ভালো পারফরমেন্স আশা করেন তারা ২৫৬ বা ৫১২ মেগাবাইট মেমরির গ্রাফিক্স কার্ডের দিকে আগ্রহ দেখাতে পারেন৷

ফ্রেম রেট :

ফ্রেম রেট হচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে সিস্টেম কতটি ডিসপ্লে দেখাতে পারে তার হিসেব৷ সব গেমের ফ্রেম রেট এক নয়৷ মানুষের চোখের ফ্রেম রেট হলো প্রতি সেকেন্ডে ২৫টি ফ্রেম৷ আর ভালো মানের একটি অ্যাকশন গেমের ফ্রেম রেট হলো ৬০টি ফ্রেম প্রতি সেকেন্ডে৷ ফ্রেম রেটের মান যত বেশি হবে গেমের গ্রাফিক্স কোয়ালিটি তত সুন্দর হবে৷

ডাইরেক্টএক্স :

গেম চালানোর জন্য এটি অপরিহার্য৷ বাজারের বেশিরভাগ গ্রাফিক্স কার্ডই ডাইরেক্টএক্স ৯.০সি সাপোর্টেড৷ ডাইরেক্টএক্স ১০ সাপোর্টেড গ্রাফিক্স কার্ডগুলোর দাম অনেক বেশি৷ কয়েকটি ডাইরেক্টএক্স ১০ সাপোর্টেড গ্রাফিক্স কার্ড হলো- -এর GeForce 8800 series, 8500GT এবং ATI-Fr Radeon HD2900XT ও HD2400 series ইত্যাদি৷

ডবল ডিসপ্লে পোর্ট :

নতুন কিছু গ্রাফিক্স কার্ডের ডিভিআই আউটপুটের পাশাপাশি ভিজিএ পোর্টও দেয়া থাকে৷ যার ফলে পুরনো মডেলের মনিটর সংযোগ দেয়া যায় এবং একসাথে দুটি মনিটরও সংযোগ দেয়া যায়৷

ইনহ্যান্স ভিডিও প্লেব্যাক :

নতুন গ্রাফিক্স কার্ডগুলোতে ভিডিও প্লেব্যাক বর্ধিতকরণের জন্য কিছু সুবিধা রয়েছে৷ ATI -এর Avivo এবং nVIDIA -এর Pure Video ডিভিডি প্লেব্যাকের পারফরমেন্স বাড়াতে সাহায্য করে৷

এইচডিসিপি :

এইচডি ডিভিডি (হাইডেফিনেশনডিজিটালভিডিওডিস্ক) বা ব্লু রে ডিস্ক চালানোর জন্য এবং এর উচ্চমান অক্ষুণ্ন রাখতে এটি ব্যবহার হয়৷

টিভি টিউনার :

পিসিতে টিভি দেখা ও পছন্দমতো অনুষ্ঠান কেটে রাখার জন্য কিছু কিছু ভিডিও কার্ড টিভি টিউনার ব্যবহার করে থাকে৷ এই কার্ডগুলো টিভি কার্ডের বিকল্প৷

ডুয়াল কার্ড সাপোর্ট :

দুটি ভিডিও কার্ড একটি মাদারবোর্ডের সাথে যুক্ত করার জন্য মাদারবোর্ডটি ভগঅঊঅই-এর nVIDIA-এর SLI (Scalable Link Interface)অথবা ATI -এর Crossfire dual board technology সমর্থন করে কিনা দেখে নিতে হবে৷

কোয়াড সিএলআই :

এটি nVIDIA -এর একটি টেকনোলজি যা ৪টি গ্রাফিক্স চিপকে একত্র করতে পারে৷ এর ফলে 1920x1200 থেকে 2560x1600 রেজ্যুলেশনে গেম খেলা সম্ভব৷ যারা পিসিতে ওয়ার্ড প্রসেসিং, ওয়েব ব্রাউজিং, ই-মেইল ইত্যাদি কাজ করেন তাদের জন্য মাদারবোর্ডের বিল্ট ইন গ্রাফিক্স কার্ডই যথেষ্ট৷ সিনেমা দেখা ও ছোটখাটো গেম খেলা যাদের অভ্যাস তাদের জন্য মধ্যম মানের গ্রাফিক্স কার্ড হলেই যথেষ্ট৷ কিন্তু যারা হার্ডকোর গেমার এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করেন তাদের জন্য প্রয়োজন খুব ভালো মানের গ্রাফিক্স কার্ড৷

প্রকার ক্লক রেট ব্যান্ডউইডথ (মে.হা.) (গি.বা./সে.)) ডিডিআর ১৬৬-৯৫০ ১.২-৩০.৪ ডিডিআর-২ ৫৩৩-১০০০ ৮.৫-১৬ জিডিডিআর-৩ ৭০০-১৮০০ ৫.৬-৫৪.৪ জিডিডিআর-৪ ১৬০০-২৪০০ ৬৪-১৫৬.৬ বাস বা ট ডাটা রেঞ্জ (বিটস) ক্লক রেট (মে.হা.) পিসিআই ৩১-৬৪ ৩৩-১০০ এজিপি ৩২ ৬৬-৫৩৩ পিসিআই এক্সপ্রেস ১-১৬ ২৫০০-৫০০০

তথ্যসূত্র:
কমপিউটার জগৎ

গুগল সার্চের সহজ কৌশল

যারা নিয়মিত ইন্টারনেট ব্যবহার করছেন, তাদের মধ্যে খুব কমসংখ্যক লোকই খুঁজে পাওয়া যাবে, যারা সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে ব্যবহার করেন না। যেকোনো সমস্যার সমাধান খুঁজে পেতে বা যেকোনো তথ্য জানতে আজকাল গুগল সহায়ক সাহায্যকারী বন্ধু। কিন্তু অনেক সময়ই দেখা যায়, সমস্যার সমাধান বা তথ্য খোঁজার জন্য প্রয়োজনীয় কী-ওয়ার্ড বা সার্চ আইটেমের নাম সঠিকভাবে দেয়া যায় না। ফলে বেশিরভাগ সময়ই প্রয়োজনীয় তথ্য খুঁজে পাওয়া যায় না বা এমন কিছু তথ্য চলে আসে, যা একেবারেই অপ্রয়োজনীয়। এ লেখায় সার্চ ইঞ্জিন হিসেবে গুগলকে ব্যবহার করার সহজ কিছু কৌশল ও দিকনির্দেশনা নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে।



সার্চ বিষয়টি খুবই সাধারণ। আপনার মনে যা কিছুই আসুক না কেনো তা www.google.com-এর সার্চ বক্সে টাইপ করে Enter দিন অথবা গুগল সার্চ বাটনে ক্লিক করুন। দেখবেন আপনার আইটেমের সাথে সম্পর্কিত কিছু ওয়েব পেজের লিঙ্ক চলে এসেছে। কিন্তু আগেই বলা হয়েছে, যে আইটেমটি বা যে বিষয়টির তথ্য জানতে চান সেই আইটেম বা বিষয়টির নাম সার্চ বক্সে দেয়ার প্রয়োজনীয় কিছু কৌশল আছে। মূলত সে কৌশলগুলো নিয়েই এ লেখা। এ লেখায় ব্যবহার করা সব [ ] বন্ধনীই একটি একক আইটেমের জন্য। যেমন- [black and white] হচ্ছে, আইটেম। আবার [black] এবং [white] দুটি পৃথক আইটেম।

০১.
সার্চিংয়ের ক্ষেত্রে প্রতিটি শব্দই বাস্তবিক। তবে কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। ব্যতিক্রমগুলো নিয়ে পরে আলোচনা করা হবে। সার্চ সব সময়ই ‘Case-Insensitive’, অর্থাৎ সার্চিং আইটেমের বিষয় বড় হাতের বর্ণের কিংবা ছোট হাতের বর্ণের কিংবা উভয়ের সংমিশ্রণে লিখলেও কোনো সমস্যা নেই। যেমন- [new york times] আর [New York Times]-এর সার্চের ফল একই হবে।

০২.
কিছু ব্যতিক্রম ছাড়া যতি চিহ্নগুলো সবসময়ই সার্চিংয়ের জন্য অগ্রাহ্য করা হয়। অর্থাৎ @, #, $, %, ^, &, *, (), =, +, [ ], \ এবং আরো কিছু বিশেষ চিহ্ন দিয়ে আপনি সার্চ করতে পারবেন না।

০৩.
সার্চিং আইটেমগুলো সাধারণ রাখার চেষ্টা করুন। ধরুন, আপনি একটি নির্দিষ্ট কোম্পানির তথ্য খুঁজছেন। যদি কোম্পানিটির পুরো নাম আপনার মনে থাকে, তবে পুরো নামটিই সার্চ বক্সে লিখুন। আর যদি পুরো নাম মনে না আসে, তবে যতটা মনে পড়ে ততটাই লিখুন। যদি আপনি কোনো নির্দিষ্ট কনসেপ্ট, স্থান বা পণ্য খুঁজতে চান, তবে এর নামটি দিয়ে লেখা শুরু করুন। যদি পিৎজা রেস্টুরেন্ট খুঁজতে চান, তবে পিৎজার নামটি লিখুন এবং সাথে আপনার শহরের নাম বা জিপ কোডটি লিখুন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই advanced অপারেটর বা বিরল যতি চিহ্নগুলোর দরকার হয় না।

০৪.
আপনাকে চিন্তা করতে হবে, সার্চিংয়ের বিষয়টি ওয়েব পেজগুলোতে কিভাবে থাকতে পারে। একটি সার্চ ইঞ্জিন মানুষ নয়। এটি একটি প্রোগ্রাম, যা সার্চ বক্সে দেয়া আপনার শব্দগুলোর সাথে ওয়েবে বিভিন্ন পেজের মিল খোঁজে। সার্চিংয়ের ক্ষেত্রে সেসব শব্দই ব্যবহার করুন, যা সাধারণত ওয়েব পেজগুলোতে থাকতে পারে। যেমন- [my head hurts]-এর পরিবর্তে ব্যবহার করুন [headache]। কারণ, মেডিক্যাল পেজগুলোতে [headache] শব্দটিই ব্যবহার হয়। আবার [in what country are bats considered an omen of good luck?] -এই বাক্যটি একজন মানুষের কাছে খুবই স্পষ্ট। কিন্তু যে ডকুমেন্টটি এই প্রশ্নের জবাব দেবে, সেই ডকুমেন্টে ওই শব্দগুলো নাও থাকতে পারে। কাজেই উক্ত শব্দগুলোর পরিবর্তে যদি আপনি [bats are considered good luck in] অথবা [bats good luck] ব্যবহার করেন, তাহলে আপনার কাঙ্ক্ষিত পেজগুলো পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

০৫.
আপনার প্রয়োজনীয় আইটেমটি যথাসম্ভব কম শব্দ ব্যবহার করে লিখুন। সার্চ ইঞ্জিন একটি আইটেমের প্রতিটি শব্দকেই ফোকাস করে। যেহেতু সব শব্দই ব্যবহার হয়, সেহেতু প্রতিটি অতিরিক্ত শব্দই আপনার কাঙ্ক্ষিত ফলকে সীমত করে দেবে এবং এই সীমাটি যদি খুব বেশি হয় তাহলে আপনি যথেষ্ট পরিমাণ তথ্য হারাবেন। অল্প পরিমাণ কী-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করার প্রধান সুবিধা হলো, ওই কী-ওয়ার্ডগুলো দিয়ে সার্চ করার ফলে কাঙ্ক্ষিত ফল না পেলেও প্রাপ্ত ফলগুলো থেকে বুঝতে পারবেন নতুন করে ওই আইটেমের বিষয়বস্ত্ত খোঁজার জন্য আপনাকে আরো কী কী শব্দ যোগ করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ- কানকুনের আবহাওয়ার অবস্থা জানতে [weather cancun] হচ্ছে [weather report for cancun mexico]-এর চেয়ে ভালো সার্চিং আইটেম।

০৬.
তুলনামূলক বর্ণনামূলক শব্দ ব্যবহার করুন। সার্চিং আইটেম যতটা একক হবে, আপনার প্রাপ্ত ফলগুলো ততই ফলপ্রসূ হবে। যেসব শব্দ খুব বর্ণনামূলক নয় (যেমন- ‘document’, ‘website’, ‘company’ অথবা ‘info’) তা সাধারণত প্রয়োজন হয় না। মনে রাখবেন আপনার শব্দটির সঠিক অর্থ থাকা সত্ত্বেও যদি তা বেশিরভাগ লোক ব্যবহার না করে থাকে, তবে আপনি প্রয়োজনীয় পেজটি খুঁজে পাবেন না। উদাহরণস্বরূপ- [celebrity ringtones], [celebrity sounds]-এর চেয়ে বেশি বর্ণনামূলক ও সুনির্দিষ্ট।

০৭.
আপনার আইটেমটি ডবল কোটেশন (‘‘ ’’) দিয়ে আটকে দিতে পারেন। এক্ষেত্রে শুধু কোটেশনের মধ্যকার শব্দগুলোর সাথে মিল পাওয়া পেজগুলোই আপনি পাবেন। তবে এক্ষেত্রে দুর্ঘটনাক্রমে অনেক জরুরি তথ্য হারাতে পারেন। যেমন- [“Alexader Bell”] দিয়ে কোনো তথ্য খুঁজতে গেলে আপনি [Alexader G. Bell]-এর সাথে মিল পাওয়া কোনো পেজ পাবেন না।

০৮.
গুগল সার্চিংয়ের মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটের ভেতরেও তথ্য খুঁজতে পারেন। যেমন- [iraq site : nytimes.com]-এর মাধ্যমে ইরাক সম্বন্ধীয় পেজগুলো খুঁজে পাবেন। কিন্তু শুধু nytimes.com সাইটে ইরাক সম্বন্ধীয় যে তথ্যগুলো আছে তা আপনি কোনো সাইটের সম্পূর্ণ শ্রেণীকেও নির্দিষ্ট করে দিতে পারেন। যেমন- [iraq site : .gov] ইরাকের .gov ডোমেইনের সাইটসমূহের ফলগুলো দেবে। আবার [iraq site : .iq] শুধু ইরাকী সাইটগুলোর ফল দেবে।

০৯.
সার্চিংয়ের মধ্যে যেসব শব্দ সম্পর্কিত তথ্য না পেতে চাইলে সেসব শব্দ (-) চিহ্ন দিয়ে বাদ দিতে পারেন। অর্থাৎ শব্দটির আগে (-) চিহ্ন বসিয়ে দিন এবং তার আগে একটা স্পেস বসাতে হবে। যেমন- [anti-virus software] আইটেমটিতে (-) একটা হাইফেন হিসেবে কাজ করবে। এক্ষেত্রে (-) দিয়ে ‘virus’ শব্দটিকে বাদ দেয়া বুঝায় না। কিন্তু [anti-virus – software] আইটেমে ‘anti-virus’ শব্দ দিয়ে ফল খুঁজবে কিন্তু তা থেকে software-এর রেফারেন্স বাদ দিয়ে। কারণ, এখানে ‘- software’-এর আগে একটা স্পেস আছে।

১০.
গুগল সাধারণত একটি সার্চিং আইটেমের সব শব্দকেই গণনায় ধরে। তবে যদি কয়েকটি শব্দের যে কোনোটি সম্পর্কিত তথ্য পেতে চান, সেক্ষেত্রে ‘OR’ অপারেটর ব্যবহার করতে হবে। উল্লেখ্য, এখানে ‘OR’ বড় হাতের বর্ণ দিয়ে লিখতে হবে। উদাহরণস্বরূপ [San fransisco Giants 2004 or 2005] আইটেমটির মাধ্যমে হয়-২০০৪ সালের অথবা ২০০৫ সালের তথ্যগুলো পাবেন। কিন্তু OR অপারেটর ছাড়া উভয় সালের তথ্যই একই পেজে পাবেন।

ব্যতিক্রম : আগেই বলা হয়েছে, গুগল বেশিরভাগ বিরাম চিহ্ন অগ্রাহ্য করলেও কিছু ব্যতিক্রম রয়েছে। যেমন-

ক.
কিছু কিছু জনপ্রিয় শব্দ, যেমন C++, C# ইত্যাদির নির্দিষ্ট অর্থ রয়েছে। এখানে শব্দ দুটির দুটিই প্রোগ্রামিং ভাষার নাম। এসব ক্ষেত্রে চিহ্নগুলো অগ্রাহ্য হবে না।

খ.
ডলার চিহ্নের ($) ব্যবহার হয় দাম বুঝাতে। যেমন- [nikon 400] এবং [nikon $400] -এর ভিন্ন ভিন্ন ফল আসবে।

গ.
আন্ডারস্কোর (_) চিহ্নটি যখন দুটি শব্দকে যোগ করতে ব্যবহার হয়, তখন এটি অগ্রাহ্য হয় না।
source:http://www.comjagat.com/home/articles/morearticles/4920

Monday, March 22, 2010

উইন্ডোজের গতি বাড়ানো

একটু কৌশল খাটিয়ে খুব সহজেই উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমের গতি বাড়িয়ে নেওয়া যায়। উইন্ডোজ ৯৮, উইন্ডোজ ২০০০, উইন্ডোজ এমই-এর গতি বাড়িয়ে নিতে প্রথমে Start\Run-এ যেতে হবে। এবার Sysedit লিখে ok করতে হবে। সিস্টেম এডিটর খুলবে। এখান থেকে System.ini ফাইল নির্বাচন করতে হবে। ফাইলে Cache লেখাটি খুঁজে বের করে এর নিচে লাইন তিনটি লিখতে হবে:
Chunksize=512
Min File Cache=8192
Max File Cache=8192
যেসব কম্পিউটারে র্যাম ৩২ মেগাবাইট বা এর চেয়ে কম, সেসবে ৮১৯২-এর জায়গায় ৪০৯৬ ব্যবহার করতে হবে। ৩২ থেকে ১২৮ মেগাবাইটের কম র্যাম থাকলে ৮১৯২ এবং ১২৮ মেগাবাইট বা তার চেয়ে বেশি র্যাম থাকলে ১২২৮৮ বা ১৬৩৮৪ ব্যবহার করতে হবে। এবার System.ini নামে ফাইলটি সেভ করতে হবে। এখন কম্পিউটার বন্ধ করে আবার চালু করতে (রিস্টার্ট) হবে।